জাতীয়

ধর্ষণে অভিযুক্ত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নাতির ।

লোকসভার দ্বিতীয় দফার ভোটের মুখেই হাসনের জেডিএস সাংসদ তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়ার নাতি প্রজ্বল রেভান্নার যৌন কেলেঙ্কারির টেপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায়। বাড়ির পরিচারিকা থেকে শুরু করে সরকারি কর্মী, দলীয় কর্মী-সমর্থকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে প্রজ্বলের বিরুদ্ধে। থানায় একাধিক অভিযোগও দায়ের হয়। দ্বিতীয় দফার ভোটের পরের দিন ২৭ এপ্রিল রাতের অন্ধকারে দেশ ছেড়ে জার্মানিতে পালিয়ে যান দেবগৌড়ার নাতি। কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের তরফে প্রজ্বলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তে সিটও গঠন করা হয়। অভিযুক্ত হাসনের সাংসদের বিরুদ্ধে লুকআউটের পাশাপাশি ব্লু কর্নার নোটিশও দায়ের হয়। এমনকি কেন তাঁর কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করা হবে না, তা নিয়ে দেবগৌড়ার নাতিকে শোকজও করে বিদেশ মন্ত্রক।

ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে দীর্ঘ এক মাসের বেশি সময় ধরে জার্মানিতে কাটিয়ে শুক্রবার মাঝ রাতে দেশে ফেরেন ধর্ষণে অভিযুক্ত হাসনের জেডিএস সাংসদ। বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে গ্রেফতার করে বিশেষ তদন্তকারী দল। রাত থেকে একটানা জেরা করা হয়। সূত্রের খবর, তদন্তকারীদের জেরার মুখে বার বার নিজেকে নির্দোষ হিসাবে দাবি করেছেন প্রজ্বল। যদিও তাঁর কথা বিশ্বাস করতে চাইছেন না তদন্তকারীরা। যৌন কেলেঙ্কারিতে যে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছেন দেবগৌড়ার নাতি, সেই ফোনের সন্ধান করছেন সিটের সদস্যরা।

শুক্রবার দুপুরে বেঙ্গালুরুর ৪২তম অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় বিচারকের এজলাসে হাজির করা হয়েছিল হাসনের জেডিএস সাংসদকে। দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে প্রজ্বলকে ছয় দিনের সিট হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

Related Articles

Back to top button