রাজ্য

সন্দেশখালির ঘটনা পরিকল্পিত ও মিথ্যা

সম্প্রতি একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেই ফুটেজ অনুযায়ী, সন্দেশখালির ঘটনা পরিকল্পিত ও মিথ্যা। আর তা নিয়ে সোচ্চার তৃণমূল। এদিকে, এই ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই দেখা গিয়েছে, প্রকাশ্যে এসেছে নির্যাতিতারা তাঁদের বয়ান বদল করছে। এই নিয়ে বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল জোর করে টাকা দিয়ে নির্যাতিতাদের বয়ান বদল করছে। আর সেক্ষেত্রে উঠে আসছে সন্দেশখালির স্থানীয় তৃণমূল নেতা দিলীপ মল্লিকের নাম। বিজেপির অভিযোগ, দিলীপ মল্লিকই নির্যাতিতাদের কলকাতায় তুলে নিয়ে গিয়ে প্রভাবিত করে নির্যাতনের বয়ান বদল করাচ্ছেন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দিলীপ। রবিবার সেই অভিযোগ তুলে সন্দেশখালি থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

মহিলাদের কলকাতায় তুলে নিয়ে গিয়ে বয়ান বদলের অভিযোগ, জানেন কে এই দিলীপ মল্লিক, যাঁকে ঘিরে নতুন করে তপ্ত সন্দেশখালি

যদিও বিজেপির অভিযোগ নিয়ে তৃণমূল নেতা দিলীপ মল্লিক বলেন, “আমি কাউকে নিয়ে কলকাতায় যাইনি। আমি এসবের মধ্যে নেই। যদি কোনও মায়েরা সৎ সাহস নিয়ে একথা বলেন, সে দায় তাঁর। এখানে সে সৎ সাহস তাঁর আছে। এখানে পরিকল্পিতভাবে রেখা পাত্র এখানে এসে মহিলাদের জড়ো করে নিয়ে এসে অশান্তি তৈরি করছে।” এরই মধ্যে তাতান নামে এক তৃণমূল কর্মীকে ডেকে এনে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির এক মহিলা কর্মী বলেন, “তৃণমূলের লোকেরা বিরক্ত করছে। পাড়ায় গিয়ে রাতে মহিলাদের ফোন করে উত্ত্যক্ত করছে।” যদিও সন্দেশখালির বিধায়কের বক্তব্য, “মানুষকে ভুল বুঝিয়ে এমনটা করানো হচ্ছে। মানুষকে সঠিকটা বোঝাতে হবে। ফেক ভিডিয়ো তো গঙ্গাধর কয়াল বানিয়েছেন। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। তাঁরা দিলীপ মল্লিককেই চেনেন না। দিলীপ আমার পাশে দাঁড়িয়ে, জিজ্ঞাসা করছেন কোথায় দিলীপ মল্লিক, চেনেই না এদিকে বিক্ষোভ দেখাতে এসেছেন। “

সন্দেশখালি: নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সন্দেশখালি। নেপথ্যে দুটো প্রেক্ষাপট: বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের ভাইরাল একটি ভিডিয়ো  যেটাকে হাতিয়ার করেছে তৃণমূল। আর নির্যাতিতার বয়ান বদলের অভিযোগ, যা নিয়ে ফের পথে বিজেপি। আর তা নিয়ে রাজনৈতিক শোরগোল, রবিবার নতুন করে ফুঁসে উঠল সন্দেশখালি।

সন্দেশখালির‌ থানার কাছে নারায়ণ বিশ্বাসের বাড়ির পিছনের রাস্তা দিয়ে দিলীপ মল্লিকের বাড়ি। সেখানে রবিবার বিকালে রাজবাড়ি বাজারের মিটিংয়ের আগে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো। সেখানেই ছিলেন দিলীপ মল্লিক‌ও। সেই খবর পেয়ে নারায়ণ বিশ্বাসের বাড়ির পাশ দিয়ে ধেয়ে যান থানার সামনে বিক্ষোভরত বিজেপি মহিলা কর্মী সমর্থকরা। তাঁদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাতান নামে এক তৃণমূল কর্মীকে টেনে ধরে এনে মারধর করা হয়, বিধায়কেরও ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ।

Related Articles

Back to top button