বিনোদন

কাজের নেশায় স্বামীকে সন্তান-সুখ দিতে পারেননি, এখন ‘আফসোস’ হয় ইন্দ্রাণীর

নিজস্ব সংবাদদাতা: ইন্দ্রাণী হালদার, বাংলা সিনেমা জগতের দাপুটে অভিনেত্রী তিনি। সারাজীবন চুটিয়ে অভিনয় করেছেন, আজও করেই যাচ্ছেন। তবে এত সফল একজন অভিনেত্রীর জীবনে রয়েছে এক চরম আফসোস, যা আজীবন হয়তো বয়ে বেড়াতে হবে তাঁকে। মা হতে পারেননি ইন্দ্রাণী। ব্যস্ত ছিলেন কাজ-কেরিয়ার নিয়েও। যখন মনে হল এবার মা হওয়া দরকার, তখন আর হাতে সময় ছিল না। এই ঘটনাই বেশ কয়েক বছর আগে এক নন ফিকশন শো-য়ে এসে ছলছল চোখে বলেছিলেন ইন্দ্রাণী। বলেছিলেন, “আমার এই আক্ষেপটাই রয়ে গেল আমি আমার স্বামীকে বাবা হওয়ার সুখ দিতে পারলাম না।” ইন্দ্রাণীর অনুতাপ স্বামীকে নিয়েও। আর স্বামী ভাস্কর রায়ের বাবা হওয়ার ইচ্ছে পূরণ করতে না পারা তাঁর জীবনের আফসোস। তিনি যোগ করেন, “একটা সময় আমরা চেষ্টা করেছিলাম বাচ্চা হওয়ার জন্য, কিন্তু হল না। এরপর আমরা হাল ছেড়েদি, তখন আমাদের দুজনেরই বয়স ৪০ পেরিয়েছে। আমি বলেছিলাম সন্তান দত্তক নিই, কিন্তু ভাস্কর রাজি হল না। আমার মনে হয়, সন্তানের সুখটা, বাবা হওয়ার সুখটা আমি ভাস্করকে দিতে পারতাম, সেটা আমি পারিনি’। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি খুব জনপ্রিয়। অনেকেই বলেন সন্তান স্নেহে জুনিয়রদের ভালবাসেন ইন্দ্রাণী। তাই মা হওয়ার আক্ষেপ যেন কোথাও গিয়ে কমেছে তাঁর।

 

শহরে জাল নোট পাচারের চেষ্টা, দুই কুখ্যাত পাচারকারীকে গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের

 

বরাবরই জীবন নিয়ে সোজাসাপটা উত্তর দেন ইন্দ্রাণী। টিভিনাইন বাংলাকে এর আগে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন প্রেমে পড়তে নাকি আজও ভালবাসেন তিনি। বলেছিলেন, “যতবারই প্রেমে দাগা খাই না কেন, বার বার প্রেমে পড়ব। এটা একটা রেজ়লিউশন। আশা করছি এবার একটা ঠিকঠাক বয়ফ্রেন্ড পাব। আমি কিন্তু একদম ইয়ার্কি করছি না।”

আর স্বামী? সহজাত ভঙ্গিতে ইন্দ্রাণী বলেন, “আমার স্বামীরও তো একটা বান্ধবী আছে। তাতে কী হয়েছে। আমাদের মধ্যে খুব ভাল বোঝাপড়া। আমার স্বামী ভীষণই স্পোর্টিং। আমার প্রেমিকরা যখন ডিচ করে চলে যায়, আমার বরই তো চোখের জল মুছিয়ে দেয়। বলে, ‘তুমি আবার ভুল করলে’।” তবে দু’জনের সমীকরণ দারুণ। আর তাই বোধহয় স্বামীকে সন্তান সুখ দিতে না পারার আক্ষেপও অনেকটাই বেশি ইন্দ্রাণীর।

Related Articles

Back to top button