দূরদৃষ্টি

জলদাপাড়ার সংলগ্ন এলাকায় কুঞ্জনগর পর্যটন কেন্দ্রে গিয়ে হতাশ প্রকৃতিপ্রেমীরা

জলদাপাড়ার সংলগ্ন এলাকায় কুঞ্জনগর পর্যটন কেন্দ্রে গিয়ে হতাশ প্রকৃতিপ্রেমীরা

আলিপুরদুয়ার : জলদাপাড়ার নাম কারো অজানা নয় ,, আর ওই জলদাপাড়ার কাছে অবস্থিত কুঞ্জনগর ইকো-পার্ক, ওই কুঞ্জনগর ইকো – পার্কে শুধু জেলার থেকেই নয় রাজ্য দেশ-বিদেশ থেকেও পর্যটকরা এখানে দীর্ঘদিন থেকেই আসেন।

অন্যান্য বছরের তুলনামূলক অনেক পর্যটকরা এবার এসে পর্যটক কুঞ্জনগর পর্যটক কেন্দ্র এসে হতাশ হয়ে ফিরে চলে যাচ্ছে এমনটাই দৃষ্টি চোখে করছে সাংবাদিকদের চোখে।তবে বলা যেতে পারে ঐতিহ্যবাহী এই ইকোপার্কে এসে প্রকৃতিপ্রেমীরা একপ্রকার হতাশ। কারণ কুখ্যাত এই ইকো – পার্কের বেহাল দশায় পুরনো ঐতিহ্য অনেকটাই ভেঙে পড়েছে আর সেই কারণেই পর্যটকরা এখানে ঘুরতে এসে নিজেদের ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে ছাড়লেন না।

আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভূটান থেকেও চলে আসে পর্যটকরা এই কুঞ্জনগর ইকো-পার্কে কিছু পর্যটকদের জিজ্ঞাসা করে জানা যায় তাদের আশা মাটি , বহু আশা করে তারা এসেছিলেন এই কুঞ্জনগর ইকো – ‌পার্কে তারা ভেবেছিলেন এই কুঞ্জনগর- ইকো পার্কের অন্তঃবিভাগে জীবজন্তু দেখতে পাবেন কিন্তু সেটা তাদের ভাগ্যে জুটল না যদি এখানকার বেহাল অবস্থা তারা জানতো। তাহলে এখানে না এসে অন্য কোথাও তারা ঘুরতে যেতেন। ভুটান সীমান্তবর্তী এলাকা জয়গাও সেখান থেকে আগত পর্যটক বলেন তারা শুনেছিলেন এখানে ঘড়িয়াল ,ময়ূর ,হরিণ, পাখিরালয় আরো অনেক কিছুই আছে কিন্তু এখানে এসে তারা দেখছে কিছুই নেই !

পর্যটকরা আরো দুঃখের সহিত জানান ইকো- পার্কের উন্নতিকল্পে দল-মত নির্বিশেষে বিধায়ক মন্ত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসা উচিত ! ইকো-পার্কের বেহাল অবস্থা যদি থেকেই যায় তাহলে হয়তো পর্যটকদের আগমন অনেকাংশেই কমতে থাকবে একই সাথে এই পর্যটক হয়তো একদিন তাহলে মরুভূমির রূপ ধারণ করতে পারে – তা নিঃসন্দেহে বলা যায় । বর্তমান বিশ্ব জুড়ে চলছে কভিড 19 , তবুও কিন্তু তারা এই পরিস্থিতির মধ্যেও প্রশাসনিক আইন শৃঙ্খলা মেনে বহু আশা করে এসেছিলেন এই কেন্দ্রে। তাদের আসা এক রকম মাটি।

পর্যটকরা প্রশাসনের আইন শৃঙ্খলা মেনে কুঞ্জনগর পর্যটন কেন্দ্রের বাইরে তারা আনন্দ উল্লাসে পিকনিক করছে এমনটাই দেখা যাচ্ছে । তবে এলাকাবাসী ও অর্থনৈতিকভাবে ইকো – পার্কের ওপর নির্ভরশীল ব্যবসায়ীদের, এলাকাবাসীরাও জানান কুঞ্জনগর তার পুরনো ঐতিহ্য পুনরায় ফিরে পাওয়ার জন্য এই বার্তা যেন বর্তমান বন মন্ত্রী থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছায়।

একইসাথে পাশাপাশি দক্ষিণ ঘয়েরবাড়ি পর্যটক কেন্দ্র অবস্থিত। ওই পর্যটক কেন্দ্রও একরকম বেহাল দশা। প্রায় ১৯ বছর হয়ে গেল ওই কেন্দ্রটি তৈরি হওয়ার ।

কেন্দ্রটি তৈরির পর বেশ কয়েক বছর ধরে দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা আসতেন বর্তমানে এই দক্ষিণ ঘরবাড়ির হাল একদম ভেঙে পড়েছে দক্ষিণ পর্যটক কেন্দ্রের ভিতরে গিয়ে পর্যটকরা দেখতে পান ,,জীবজন্তুর মধ্যে বেশ কয়েকটি লেপার্ড তবুও দেখে মনে হচ্ছে অসুস্থ এছাড়াও এর মধ্যে যে শিশুদের খেলনার সরঞ্জাম ছিল তাও বহুদিন আগেই ভেঙে যায় , ফলে ধীরে ধীরে পর্যটকরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর দক্ষিণ ঘয়ের বাড়ির পর্যটক কেন্দ্রের বেহাল অবস্থা ।বর্তমান বনদপ্তর একগুচ্ছ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তবে এর কাজ শীঘ্রই হবে এমনটাই জানা যাচ্ছে।

Related Articles

Back to top button