বাল্যবিবাহ নিয়ে শর্ট ফিল্ম “অবলম্বন” শুটিং শেষ হলো

ভারতীয় আইন মোতাবেক ১৮ বছরের নিচে মেয়ে এবং ২১ বছরের নিচে পুরুষের বিয়ে। বেশির ভাগ কমবয়সী মেয়েদের বাল্যবিবাহ দুর্বল আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। বাল্যবিবাহ নিয়ে শর্ট ফিল্ম “অবলম্বন” কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপে মৃত্যুঞ্জয় সরদার, এই কাহিনীতে দেখানো হয়েছে প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়েগুলো যেভাবে কমবয়সে লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে প্রেমে বিয়ে করে নিচ্ছে, আর পরে ছেলের পরিবার আইনত ফেসে যাচ্ছে এই গল্পের মধ্যে তেমনই চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছে চিত্রনাট্য সংলাপের মধ্য দিয়ে। শিক্ষামূলক দেশের পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়েছে।ভারতীয় জনগণনা আয়োগ গণনা ও সংবাদ দেয় যে, ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে মেয়েদের কম বয়সে বিয়ের হার প্রতি দশ জনগণনার বছরে নিম্নমুখি। ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের জনগণনানুযায়ী, ভারতে দশ বছরের নিচে বালিকা বিয়ে হয়নি, দশ থেকে চোদ্দো বছরের মেয়েদের ৫ কোটি ৯২ লক্ষের মধ্যে ১৪ লক্ষ বিবাহিত, পনেরো থেকে উনিশ বছরের মেয়েদের ৪ কোটি ৬৩ লক্ষের মধ্যে ১ কোটি ১৩ লক্ষ বিবাহিত। ২০০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বাল্যবিবাহের হার পড়তে থাকে আরো ৪৬ শতাংশে, যেটা সাকুল্যে জাতীয়ভাবে গড় ৭ শতাংশে দাঁড়ায় ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে। ঝাড়খণ্ড হল ভারতের সবচেয়ে বেশি বাল্যবিবাহের রাজ্য (১৪.১ শতাংশ), অন্যদিকে কেরালা হল একমাত্র রাজ্য যেখানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাল্যবিবাহের হার কমেছে। ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে গ্রাম্য বাল্যবিবাহের হার শহরের চেয়ে তিন গুণ বেশি ছিল।১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে ভারতীয় আইনে বাল্যবিবাহকে আইনবিরুদ্ধ করা হয়। আইন বিরোধী এই শর্ট ফিল্মে তা স্পষ্ট করে তুলে ধরা হয়েছে।মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছে শালিনী চৌধুরী ও শুভ, নন্দিনীর বাবা ও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছে মানিক সরকার ও সুমিতা। সিআইডি অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করেছে দেবব্রত গায়েন ও মৃত্যুঞ্জয় সরদার। সমস্ত গল্প সম্পাদনায় করবে চয়ন দত্ত এবং শুভ গাঙ্গুলী …..




