স্বাস্থ্য ও শিক্ষা

ইলিশ মাছেই ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ সর্বাধিক…

ইলিশ মাছেই ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ সর্বাধিক…..কিন্তু…..
সম্প্রতি এক সংবাদসূত্রে জানা যাচ্ছে, ‘সায়েন্স অব ফুড’ (Science of
Food) পত্রিকাতে প্রকাশিত এক
প্রতিবেদনে সিনসিন্যাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের
গবেষকরা দাবি করেছেন, ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড (Omega-3 fatty acid) করােনা আক্রান্ত রােগীদের আইসিইউ নির্ভরতা কমাতে পারে অনেকাংশেই। মার্কিনী গবেষকদের দাবি, ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিডের প্রদাহরোধী উপাদান করােনা সংক্রমণজনিত প্রদাহও কমাতে সাহায্য করেছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে কিন্তু ফুড সাপ্লিমেন্ট হিসাবে ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণের চেয়ে সরাসরি প্রাকৃতিক খাদ্যের মাধ্যমে এটি শরীরে বেশি ক্রিয়া করে। তাঁদের হিসাবে টুনা, স্যামন, সার্ডিন ইত্যাদি সামুদ্রিক মাছে ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড থাকলেও তার পরিমাণ সামান্যই। কিন্তু ভোজনরসিক বাঙালির ইলিশ মাছ এদিক থেকে বাজিমাত করে চ্যাম্পিয়নের শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছে। তবে এসব গেল পরীক্ষাগারের কথা।
বাস্তবে, ইলিশ মাছ সংরক্ষণের জন্য যে পরিমাণ “ফরমালডিহাইড” বা তার জলীয় দ্রবণ “ফরমালিন” ব্যাবহার করা হচ্ছে সর্বত্র, বিশেষ করে ট্রলার এবং সংরক্ষণ কেন্দ্রে তা ওই একই রাসায়নিক দিয়ে মর্গে মৃতদেহ সংরক্ষণ করাকে হার মানিয়ে দেবে। বাজারে মাছ বিক্রেতা বলবেন – মাছটা টাইট আছে, সরেস। এর উপর উঠে দাঁড়ালেও গলে যাবে না। অবশ্যই ওই ইলিশে আমাদের পরিচিত সেই স্বাদ এবং গন্ধের লেশমাত্র পাওয়া যাচ্ছে না রাসায়নিকটির কল্যাণেই। নিশ্চিতভাবেই সেটি ওই রাসায়নিক দিয়ে সংরক্ষিত। যা কিনা কারসিনোজেনিক অর্থাৎ ক্যানসার সৃষ্টি করে। টন টন ইলিশ আসছে রসনা তৃপ্তির হাতছানি দিয়ে ওই রাসায়নিকস্নাত হয়ে। সাবধানে থাকা উচিত এবং লোভ সম্বরণ করা উচিত। তা না হলে অন্ত্রের ক্রিয়া স্তিমিত হয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, পরিপাকতন্ত্রের নানা স্থানে ক্যানসারের সম্ভাবনাকে আবাহন করা হবে। তা-ও মাতৃ আবাহনের উৎসব উপলক্ষে।
প্রাথমিকভাবে অ্যান্টাসিড দিয়ে শুরু করে কোথায় দাঁড়ি পড়বে কেউ জানি না। সময় মেপেই ইলিশের চালান আসছে বাংলাদেশ থেকে ভারতে। কারণ এবছর জাপান এবং চিন করোনাকালে মুখ ফিরিয়েছে ইলিশের থেকে। ত্রাতা ভারত।যদিও এবছর আবহাওয়া এবং পরিবেশ ইলিশ ধরার অনুকুল ছিল না মোটেও। সমঝদারকো ইশারা কাফি হ্যায়।

Related Articles

Back to top button