রাজ্য

হলদিয়া রিফাইনারি মেন্টেনেন্স ওয়ারকার্স ইউনিয়নের সভাপতি পদ থেকে সরানো হল দীপেন্দু অধিকারীকে

হলদিয়া রিফাইনারি মেন্টেনেন্স ওয়ারকার্স ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। গত দুবছরে ইউনিয়নের কোনো প্রকার দেখভাল করেনি, এবং বার বার ডাকলেও উনি সময় দেননি এমনটা অভিযোগেই দিব্যেন্দু বাবুকে পদ থেকে সরানো হোলো। সাধারণ সভা ডেকে বৈধভাবে দিব্যেন্দু অধিকারীকে ওই পদ থেকে সরিয়ে কার্যকরী সভাপতি দেবপ্রসাদ মন্ডলকে ওই পদে রাখা হয়। এই বিষয়ে ইউনিয়ের বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ আনছেন দিব্যেন্দুবাবু। এই বিষয়ে পুরানো কাসন্দি বের করলেন ইউনিয়ন লিডার তিনি বলেন সিপিএমের আমলে হলদিয়ায় উনি লুকিয়ে লুকিয়ে আসতেন, আমাদের সহযোগীতা নিতেন, আমরা না চাইলে উনি ভোটে জিতে হলদিয়ায় এম পি হতে পারতেন না। তৎকালীন পৌরসভার চেয়ারম্যান শ্যামল আদককে বাদ দিয়ে ইউনিয়ন দখল করেন, এমনকি উঠে এল মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথা, তবে সরাসরি নাম না নিয়ে শুভেন্দুবাবুকেও খোঁচা মারলেন। তিনি বলেন সিপিএম থেকে আসা গুণ্ডা প্রদীপ চক্রবর্তীকে দায়িত্ব দিলে সে গুন্ডাবাহিনী দিয়ে আই ও সির ড্রাম ফ্যাক্টারিকে পর্যুদস্ত করে সেখানে তৃনমুলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সহ তৃনমুলের পদাধিকারী ব্যক্তিদের মারতে মারতে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। গা জুয়ারী করে দায়িত্বে থাকা তৃনমুলের লোকজনদের বের করে দেওয়া হয়। এম পি ও মন্ত্রী দিব্যেন্দু ও শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশ্যে বলেন ওনারা গায়ের জোরে যেন মামদাবাদী করছেন। ওয়ারেশ সম্পাদক উত্তম বেরা দেবু মন্ডলের সঙ্গে কাজ করার কারনে উত্তম বেরাকে জোর পূর্বক কাজ থেকে বহিস্কৃত করা হয়। তৃনমুলের মধ্যে কোষ্ঠী কোন্দল তৈরি করে গোটা হলদিয়াকে পর্যুদস্ত করতে চাইছে ,তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে হলদিয়া রিফাইনারি মেন্টেনেন্স ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন থেকে দিব্যন্দুকে সরিয়ে এমন বার্তা দিতে চাইছে যে মমতা ব্যানার্জী শেষ কথা বলবে তাঁর বাইরে অন্য কাউকে সুযোগ দেওয়া যাবে না। এমনকি মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লী যাওয়াকে কেন্দ্র করে বলেন মন্ত্রী দিল্লী গিয়ে বিজেপির সাথে বৈঠক করবেন, এদিকে তাঁর ভাই বড় বড় কথা বলে গালিগালাজ করবে, দুটো জিনিস হতে দেবে না সাধারণ শ্রমিক। সাধারণ শ্রমিক রেগে ফুঁসছে দিব্যন্দুর বিরুদ্ধে,তাঁর ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কার্যকরী সভাপতি। সাধারণ শ্রমিকদের বিরুদ্ধে গিয়ে কার্যকরী সভাপতিকে প্রতারক বলে বেআইনি কথা বলেছেন, তা বুঝিয়ে দেবে শ্রমিকরা, এমনটাই বললেন বর্তমান কার্যকরী সভাপতি দেবপ্রসাদ মন্ডল। অধিকারী পরিবার কংগ্রেস করতেন, ১৯৯৮ সালে যখন তৃনমুলের দল তৈরি হয় তখন আমিই চন্ডীপুরে সুব্রতবক্সীর জনসভায় ওদের তৃনমুলে নিয়ে আসি ।কিন্তু দিব্যন্দু অধিকারী এসে হুইপ জারি করে আমায় সরিয়ে কাটমানি খাওয়া শ্যামল আদকে চেয়ারম্যানের পদে বসায়। তবে কাটমানি খাওয়া লোকদের নিয়ে অশালীন আচরণ করা লোকদের নিয়ে ওরা দল করতে চায়, আমরা তা প্রশ্রয় দেব না এমনটাই জানালেন হলদিয়া রিফাইনারি মেন্টেনেন্স ওয়ার্কের কার্যকরী সভাপতি দেবপ্রসাদ মন্ডল।

Related Articles

Back to top button