আন্তর্জাতিক

ভারত ও বাংলাদেশ। এই যৌথ গ্রুপের প্রতিযোগিতার বিষয় : করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ

ভগবতী সরদার

আপনিও সাংবাদিক ,যে কোন বিষয়ের উপরে কম করে ৩০০ থেকে ৫০০ লিখে পাঠান আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে, মনোনীত হলে প্রকাশ পাবে আপনার লেখা। হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর: ৯৫৬৪৩৮২০৩১

সারা বিশ্বজুড়ে মানুষ আজ আতঙ্কিত। এই আতঙ্কের নাম হল করোনা ভাইরাস। সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের শিরোনামে উঠে আসছে বারবার। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এই মারণ রোগ। আমরা জানি সাধারণ সতর্কতা অবলম্বন করলে হয়তো এই ভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তারের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারে। রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার বসে নেই কেউই। বিভিন্নভাবে চলছে প্রচার এবং সচেতনতা শিবির এই মারন রোগের বিরুদ্ধে। অনবরত বিশ্বজুড়েও চলছে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রচার ও সচেতনতা। সেই মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ‘আন্তর্জাতিক অনলাইন আর্ট কম্পেটিশন’ আয়োজন করেছে করোনার বিরুদ্ধেও প্রচার। এর পিছুনে আছে থার্ড আই আর্টিস্ট গ্রুপ। বিশ্বজুড়ে আঁকা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শুরু হয় এই মারণ রোগের বিরুদ্ধে প্রচার ও সচেতনতা, যা বিশ্বকে ঘরে বসে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। ‘আন্তর্জাতিক অনলাইন আর্ট কম্পেটিশন’ আয়োজন করেছে থার্ড আই আর্টিস্ট এই গ্রুপ। তৈরি হয় যৌথভাবে। আছে বহরমপুর, ভারত ও বাংলাদেশ।
এই যৌথ গ্রুপের প্রতিযোগিতার বিষয় : করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ। প্রতিযোগিতাটি পাঁচটি গ্রুপে বয়স ভিত্তিক অনুযায়ী বিভক্ত করা হয়। অনলাইন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন একশো জনের বেশি শিল্পী। যে সব দেশ অংশগ্রহণ করেছে,আইভোরি কোষ্ট, মরিসাস, ক্রোয়েশিয়া জরজিয়া, আমেরিকা, রাশিয়া, বাংলাদেশ, ভারত, বুলগেরিয়া, আলজেরিয়া, ইথোপিয়া, নেপাল সহ আরও অন্যান্য দেশ।
তবে ভারতের একটি রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ সেখানকার এক উচ্চপদস্থ পুলিশকর্তা অংশুমান সাহা নিজের আঁকা ছবি এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন অনলাইনের মাধ্যমে। যে রাঁধে সে চুল বাধে তেমনই প্রমাণ করিয়ে দিলেন রাজ্যে এক আইপিএস অংশুমান সাহা। বিশ্বে এমন কঠিন পরিস্থিতি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে অলিখিত ভাবেছে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশ কখনও মানবিক হতে হচ্ছে, কখনো হচ্ছে অসহায়়়় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। আবার কোন অফিসার আছে যারা গান গেয়ে এই যুদ্ধে জয়ী নিশ্চয়ই একথায় গানের মাধ্যমে তুলে ধরছি। এটা ঠিক একটা অন্যরকম অভিনব বিষয় ,একজন বড় পুলিশকর্তাতা হয়েও নিজের আঁকা ছবি নিয়ে এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে মানুষকে যেভাবে সচেতন করছে, অন্যদিকে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সারা বিশ্বের মানুষের কাছে তিনি তানার ছবির মাধ্যমে সচেতনতা আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।বিশ্ব দরবারে অনলাইনের মাধ্যমে তার ছবি করোনার সচেতনতা কাজে লাগছে, বহু গুণ সম্পর্ক একজন আইপিএস কি না পারে তার উদাহরণ অংশুমান সাহা।

প্রতিটি গ্রুপ থেকে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও অংশগ্রহণকারী সকলকে প্রদান করা হবে সনদ।এই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা অরুন চন্দ্র বর্মন( বাংলাদেশ)।সোমনাথ বিশ্বাস বহরমপুর (ভারত)।সোমনাথ বিশ্বাস বলেন, “এটা সমাজের কাজ এরকম দুঃসময়ে সমাজকে সচেতন করার লক্ষ্যে এই গ্রুপের এই পদক্ষেপ”।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button