গ্রামের পাতায়

গ্রামাঞ্চলে লকডাউনের সময় মিটার রিডিং না নিয়েই বেশী বেশী করে বিদ্যুৎ বিল পাঠালে তার কোন সুরাহা হয় না।

প্রদীপ কুমার মাইতি:কোলকাতায় রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রীর বিল বেশী হলে সিইএস সি বিল স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়।অথচ পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানি গ্রামাঞ্চলে লকডাউনের সময় মিটার রিডিং না নিয়েই বেশী বেশী করে বিদ্যুৎ বিল পাঠালে তার কোন সুরাহা হয় না।সারা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই ইউনিট পিছু বিদ্যুৎ বিলের হার সবচেয়ে বেশী। তাছাড়া তিনমাসের বিদ্যুৎ বিল একসাথে করায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের স্ল্যাব বেশী হওয়ায় উচ্চহারে বিদ্যুৎ শুল্ক গ্রাহকদের মেটাতে হয়। অামফান দুর্যোগ কবলিত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অনেকদিন বিপর্যস্ত ছিল। স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লেগে যায়।লকডাউনের সময় দোকান-পাট,মাছের ভেড়ী,কলকারখানা সব বন্ধ থাকায় বিদ্যুতের ব্যবহার তলানিতে নেমে যায়।কিন্তু লকডাউনে মানুষ কর্মহীন থাকা সত্বেও গত বছরের ঐ সময়কার বিলের সমপরিমান অর্থ প্রদান করতে হয়।কোলকাতার বেলায় বিদ্যুৎ বিলের জন্য এক ব্যবস্হা অার গ্রামের মানুষের জন্য অারেক ব্যবস্হা।দুয়োরাণী ও সুয়োরানী র মত বিদ্যুৎ দপ্তরের অাচরন।লকডাউন ও অামফান জনিত কারণে এপ্রিল, মে ও জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল মকুব করা, মাসের বিল মাসে পাঠানো,বিদ্যুতের লাগামহীন শুল্ক হ্রাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্হার অাধুনিকীকরন,সর্বত্র কেবল লাইনের সংযোগ সুনিশ্চিতকরন ইত্যাদি দাবীসমূহের ভিত্তিতে রাজ্যের বিদ্যুৎ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী কে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়েছেন সিপিঅাইএম নেতা তথা প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন। মামুদ হোসেন বলেন যে রাজ্য সরকার অামফান ও লকডাউন জনিত কারণে তিন মাসের বিদ্যুৎ বিল মকুব করতে পারে না তারাই অাবার সারাজীবন বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথা বলে।রাজ্য সরকারের মুখোশ খুলে পড়েছে বলে জানান সিপিঅাইএম নেতা মামুদ হোসেন।

Related Articles

Back to top button