সিআইডি-র ভূমিকায় ‘অসন্তুষ্ট’, বিচারপতি মান্থার নদিয়ার ছাত্র নিখোঁজেও CBI তদন্তের নির্দেশ

নিজস্ব সংবাদদাতা: পাঁচ বছর ধরে তদন্ত করে এক নিখোঁজ ছাত্রের সন্ধান দিতে পারেনি সিআইডি। তাই এবার সেই মামলায় তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে দিল কলকাতা হাইকোর্ট । ২০১৭ সালে টিউশন পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় নদিয়ার এক ছাত্র। পরে রাজ্যের সংস্থা সিআইডি তদন্ত শুরু করে। পাঁচ বছর কেটে গেলেও তার পরিবারের কাছে কোনও তথ্য পৌঁছয়নি। তাই আবারও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে নদিয়ার ওই পরিবার। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এই মামলায় সিআইডি-র ভূমিকা নিয়ে কার্যত বিরক্তিও প্রকাশ করেন তিনি।
সন্তু ভট্টাচার্য নামে নদিয়ার মদনপুরের বাসিন্দা ওই ছাত্রের দীর্ঘদিন ধরে কোনও খোঁজ না পেয়ে ২০১৮ সালে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল তার পরিবার। সেই সময় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এরপরও কোনও খোঁজ না পেয়ে ২০২০ সালে ফের আদালতে যায় ওই পরিবার। সেই সময় হাইকোর্টের তরফে সিআইডি-র কাছে একটি রিপোর্ট তলব করা হয়েছিল। তবে কোনও খোঁজ দিতে পারেননি গোয়েন্দারা।৫ বছর কেটেছে। এবার আরও একবার ছেলের খোঁজে হাইকোর্টে গিয়েছেন মা। সিআইডি-র দেওয়া সেই রিপোর্ট দেখে এদিন কার্যত বিরক্ত হন বিচারপতি। তিনি জানান, এবার যা করার সিবিআই করবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি আরও একটি নিখোঁজ মামলায় সিবিআই-এর হাতে তদন্তভার দিয়েছেন বিচারপতি মান্থা। সে ক্ষেত্রেও সিআইডি-র হাতে ছিল তদন্তভার। ২০১৯ সালে নিখোঁজ হন কলকাতার বাসিন্দা এক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ছাত্র। নিউ আলিপুর থানার দ্বারস্থ হয়েও কোনও লাভ হয়নি। তিন বছরে ছেলের কোনও খোঁজ পায়নি পরিবার। সিআইডি তদন্ত শুরু করেছিল। কিন্তু ওই মামলার সঙ্গে বাংলাদেশের একটি যোগ থাকায় বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেন বিচারপতি। দ্রুত মামলা হস্তান্তর করে সিবিআই-এর হাতে দেওয়ার কথা বলেন তিনি।



