কলকাতা

বিধায়কের সই লাগলে কোথায় যাবেন পার্থর এলাকার মানুষ? উত্তর মিলল ‘দিদির সুরক্ষা কবচের’ প্রচারে

নিজস্ব সংবাদদাতা: বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায়  এখন জেলবন্দি। নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ইডি-সিবিআইয়ের সাঁড়াশি চাপের মধ্যে রয়েছেন তিনি। বার বার জামিনের আবেদন করেও ফল হয়নি। কবে জামিন মিলবে, তাও জানা নেই।

এমন অবস্থায় কিছুদিন আগে তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র বেহালা পশ্চিমে ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করতে এসেছিলেন কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার। আর এবার বেহালা পূর্বে ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’-এর সাংবাদিক বৈঠক করতে রত্না চট্টোপাধ্যায়ের পাশেও হাজির দেবাশিস কুমার। এদিন ফের একবার বুঝিয়ে দিলেন, বেহালা পশ্চিম অভিভাবকহীন নয়।

বেহালা পশ্চিম ‘অভিভাবকহীন’ বলেই কি দেবাশিস কুমারকে সেখানে যেতে হয়েছিল? সাংবাদিকদের প্রশ্নে সটান জবাব, ‘তাহলে বেহালা পূর্বে এলাম কেন? পূর্বে তো অভিভাবক আছেন।’ বুঝিয়ে দিলেন, দল যৌথ নেতৃত্বে চলে। দলের প্রতীকই হল আসল। বেহালা পশ্চিমের সাংবাদিক বৈঠকেও এই একই ধরনের কথা বলেছিলেন দেবাশিস কুমার। বেহালা পূর্ব বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়কে পাশে নিয়ে বেহালা রায় বাহাদুর রোডের দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন দেবাশিস কুমার।

এখানে এসে দেবাশিস কুমার সাফ বুঝিয়ে দিলেন, বেহালা পশ্চিমের অধিবাসীরা একেবারেই অভিভাবকহীন নন। বললেন, “বেহালার মানুষের কোনও সমস্যা হলে বা বিধায়কের কোনও সই দরকার হলে রত্না চট্টোপাধ্যায়ের কাছে যাবেন, নিশ্চয়ই তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে দেবেন। বেহালা পশ্চিম অভিভাবকহীন নয়। আমরা সবাই রয়েছি।”

উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল বেহালা পশ্চিমেও দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচির প্রচার করা হয়। সেখানে মূল বক্তা ছিলেন দেবাশিস কুমার। সেখানেও তাঁকে বোঝাতে হয়েছিল, বেহালা পশ্চিম নিয়ে দল কোনও অস্বস্তিতে নেই।

দলের প্রতীক যে কোনও নেতার ঊর্ধ্বে, সেই কথাই বার বার বোঝানোর চেষ্টা করেন তিনি। সঙ্গে এও বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, দল কোনও অন্যায়কারীর সঙ্গে নেই। এবার বেহালা পূর্বে রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করার সময়ও উঠে এল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্রের প্রসঙ্গ।

Related Articles

Back to top button