কলকাতা

STF-এর জালে খাস কলকাতায় বান্ডিল বান্ডিল জাল নোট

নিজস্ব সংবাদদাতা: শহরে ফের বড় সাফল্য কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের । ময়দান থানা এলাকায় এক অভিযান চালিয়ে ১০ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করল পুলিশ। ৫০০ টাকার দু’হাজারটি জাল নোট পাওয়া গিয়েছে অভিযান চালিয়ে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। ধৃতদের নাম আব্দুল রেজ্জাক খান ও শাহের আলি। উভয়েই অসমেলর বারপেতা জেলার বাসিন্দা। পুলিশের কাছে অসমের এই কুখ্যাত জাল নোট চক্রের বিষয়ে আগে থেকেই খবর ছিল। সেই মতো আগেভাগে প্রস্তুতও ছিলেন স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের অফিসাররা। সোমবার দুপুর পৌনে একটা নাগাদ গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়ে ময়দান থানা এলাকায় হানা দেয় পুলিশ।

ডাফরিন রোড ও মেয়ো রোডের ক্রসিংয়ের কাছে অভিযান চলাকালীন ওই দুই ব্যক্তির চালচলন দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। সন্দেহভাজন ওই দুই ব্যক্তিকে তল্লাশি চালাতেই তাদের থেকে পাওয়া যায় গাদা গাদা জাল নোটের বান্ডিল। সব ৫০০ টাকার জাল নোট।

এমন দুই হাজারটি নোট উদ্ধার করেন স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের জাল নোট দমন বিভাগের অফিসাররা। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে মোট ১০ লাখ টাকার জাল নোট। এরপর গতকাল সন্ধেয় ওই ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০বি, ৪৮৯বি এবং ৪৮৯সি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করবে পুলিশ।

এদিকে ধৃত ওই দুই যুবককে ইতিমধ্যেই জেরা পর্ব শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। কী কারণে ওই জাল নোট নিয়ে আসা হচ্ছিল, কোথা থেকে নিয়ে আসা হচ্ছিল, কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের আধিকারিকরা। এইসব জাল নোটের কারবারের পিছনে সাধারণত বড়সড় একটি চক্র জড়িত থাকতে দেখা গিয়েছে অতীতে। এক্ষেত্রে উদ্ধার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ জাল নোটের চক্রের পিছনে আরও কারা কারা জড়িত, এই চক্রের মাথা কারা, সেই সবও ধৃতদের জেরা করে জানার চেষ্টা করছেন কলকাতা পুলিশের এসটিএফের অফিসাররা।

Related Articles

Back to top button