কলকাতা

বারপুজোয় মোহনবাগান মাঠে সুনীল গাভাসকর

কলকাতা: বারপুজোয় ময়দানে সুনীল গাভাসকর। আরও স্পষ্ট করে বললে, বারপুজোয় মোহনবাগান ক্লাবে পা রাখছেন ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। মোহনবাগানের নবনির্মিত প্রধান ফটক উদ্বোধন করবেন সুনীল গাভাসকর। তাঁর হাত ধরেই চুনী গোস্বামীর নামাঙ্কিত প্রবেশদ্বারের শুভ উন্মোচন হবে। আগেই ঠিক হয়েছিল, নববর্ষেই মোহনবাগানের নতুন গেটের উদ্বোধন হবে। চুনী গোস্বামীর নামাঙ্কিত সেই গেট উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন প্রয়াত কিংবদন্তি ফুটবলারের স্ত্রী বাসন্তী গোস্বামীও। রাজ্যের দুই মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস আর বাবুল সুপ্রিয়ও থাকবেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। মঙ্গলবার মোহনবাগানের তরফ থেকে সরকারি ভাবে জানানো হয়, নববর্ষে ক্লাবের প্রধান ফটক উদ্বোধন করবেন সুনীল গাভাসকর। প্রসঙ্গত, তার আগের দিন ইডেনে কেকেআর বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচে ধারাভাষ্য দেওয়ার কথা সানির। কলকাতার সঙ্গে গাভাসকরের আবেগও ভীষণ ভাবে জড়িয়ে। তাঁর ছেলে রোহন গাভাসকর খেলেছেন বাংলার জার্সিতেই।

সুনীল গাভাসকর আর চুনী গোস্বামী দু’জনেই ভালো বন্ধু ছিলেন। যদিও চুনী গোস্বামী বয়সে অনেকটাই বড় ছিলেন। ফুটবলের পাশাপাশি দাপিয়ে ক্রিকেটও খেলেছেন চুনী গোস্বামী। বাংলার হয়ে নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। ১৯৭১ রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে চুনীর নেতৃত্বেই ফাইনাল খেলেছিল বাংলা। মুম্বইয়ের (তৎকালীন বোম্বে) কাছে হেরে সে বার ট্রফি জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছিল বাংলার। ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন সুনীল গাভাসকর। চুনী গোস্বামীর প্রয়াণের পর সমবেদনাও জানিয়েছিলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক। সেই চুনী গোস্বামীর নামাঙ্কিত মোহনবাগানের প্রধান প্রবেশদ্বার উদ্বোধনে এ বার হাজির থাকবেন গাভাসকর।

 

গায়িকার উপর বৃষ্টির মতো পড়ছে কড়কড়ে নোট! ৪ কোটি টাকা উড়ল অনুষ্ঠান মঞ্চে

 

 

চিরাচরিত ঐতিহ্য মেনে সকাল সাড়ে ৯টায় হবে মোহনবাগানের বারপুজো। সকাল সাড়ে ১০টায় চুনী গোস্বামীর নামাঙ্কিত গেটের উদ্বোধন হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন বলাই দে, জেভিয়ার পায়াস, দীপেন্দু বিশ্বাস, মৃত্যুঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায়, সুশীল সিংয়ের মতো প্রাক্তন খেলোয়াড়রা। সকাল সাড়ে ১১টায় বাংলা লোকগীতি ব্যান্ড দোহার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করবে। সুপার কাপ খেলতে এই মুহূর্তে কেরলে রয়েছে মোহনবাগানের কোচ ফুটবলাররা। গত বছর বারপুজোয় মোহনবাগান মাঠে কোচ হুয়ান ফেরান্দো উপস্থিত থাকলেও, এ বারে তা হচ্ছে না। তবে সুনীল গাভাসকরের উপস্থিতি ময়দানের যাবতীয় আকর্ষণ যে কেড়ে নিল, তা বলাই যায়।

Related Articles

Back to top button