আগামী কাল রাজ্যে ফের ৩ লক্ষ ডোজ আসতে চলেছে
আজ মাসের শেষ রবিবার। সেই মতোই দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ‘মন কি বাত’-এ বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী । সেই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, দেশে বিনামূল্যে টিকাকরণ চলবে। রাজ্যগুলিকেও ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। আশার খবর হল, শুক্রবার বিকেলে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের ৫ লক্ষ ডোজ শহরে এসে পৌঁছেছে। এবং আগামী কাল রাজ্যে ফের ৩ লক্ষ ডোজ আসতে চলেছে। যার ফলে অনেকটাই কমবে ভ্যাকসিনের আকাল।
রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী করেনা। সংক্রমণ এত হারে বাড়ছে যে সকলেই এখন ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সেই জন্য চাহিদা বাড়ায় ও অন্যদিকে জোগান সেই অনুযায়ী না থাকায় শুরু হয়েছে সঙ্কট। কলকাতা থেকে জেলা, ভ্যাকসিন না পেয়ে চূড়ান্ত হয়রানির স্বীকার সাধারণ মানুষ। গত কয়েকদিন ধরেই এনআরএস হাসপাতাল, শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে দিনভর লাইনে দাঁড়িয়ে ভ্যাকসিন পেলেন না অধিকাংশ ব্যক্তি। পরিস্থিতি সামাল দিতে কুপনের ব্যবস্থা করেছে এনআরএস কর্তৃপক্ষ। যাঁরা ভ্যাকসিন পাচ্ছেন না তাঁদের অন্য দিনে আসতে বলা হচ্ছে, সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে কুপন। জেলাগুলিতেও পরিস্থিতি একই।
স্বাস্থ্য দফতরের শুক্রবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত বাংলায় করোনার ভ্যাকসিন পেয়েছেন ৯৭ লক্ষ ৭৫ হাজার ১৫২ জন। ভ্যাকসিন নিতে লম্বা থেকে লম্বাতর হচ্ছে লাইন। কিন্তু, করোনার প্রতিষেধক নিতে গিয়ে যেভাবে কোভিড বিধি লঙ্ঘন হচ্ছে ,সেখান থেকেও করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। আর এই লাইন কমানোর একটি মাত্র উপায়। পর্যাপ্ত টিকা। রাজ্যে পর্যাপ্ত টিকা থাকলে পাড়ায় পাড়ায় স্বাস্থ্যকেন্দ্র খুলেও সেখানে ভ্যাক্সিনেশন প্রক্রিয়া চলতে পারে, যার ফলে সংক্রমণের সংখ্যা বেশ খানিকটা কমবে।



