করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে জর্জরিত গ্রামগঞ্জে
ডেস্ক: গত বছর করোনাভাইরাসের প্রথম ঢেউয়ে জর্জরিত হয়েছিল মূলত শহরাঞ্চল। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউয়ে সে শহরের সীমানা ছাড়িয়ে গ্রামেও প্রবেশ করে গিয়েছে। রোজ নিয়ম করে জ্বর-সর্দির উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন প্রাথমিক ও ব্লক হাসপাতালে রোগীর ভিড় বাড়ছে। ফলে রীতিমতো উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দফতর। গ্রামাঞ্চলে কোভিডের দাপট কতটা ভয়াবহ, সেটা বীরভূম, মালদহ, মুর্শিদাবাদের করোনা সংক্রমণের দৈনিক সংখ্যাটা দেখলেই বোঝা যাচ্ছে।
নতুন এই সমস্যার মোকাবিলা করতে পদক্ষেপ নিল স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্যের সমস্ত ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে করোনা আক্রান্তদের জন্য শয্যার ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এই মর্মে সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে।
স্বাস্থ্য দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শহর বা মফস্বলের মতো গ্রামের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও এখন থেকে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করতে হবে। ব্লক, গ্রামীণ এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অন্তত ৫-১০টি শয্যা সিভিয়ার একিউট রেসপিরেটরি ইলনেস বা মৃদু উপসর্গ যুক্ত রোগীদের জন্য বরাদ্দ করতে হবে।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে যে সব আইসোলেশন শয্যার জন্য অক্সিজেনের ব্যবস্থা করতে হবে। রাখতে হবে অ্যাম্বুল্যান্স যাতে রোগীর শরীরের অবস্থা সংকটজনক হলে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা করে যাতে বড় হাসপাতালে পাঠানো যায়।
এই প্রসঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ অজয় চক্রবর্তী বলেন, ”করোনা সংক্রমণ এখন শহর থেকে গ্রামেও ছড়িয়ে যাচ্ছে। বাড়ির কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতে রোগীর দ্রুত চিকিৎসা করা সম্ভব হয়, সেই জন্য এই পদক্ষেপ।” তাঁর কথায়, “একটা বড়ো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি পরিকাঠামোর মধ্যেই জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নিতে হবে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও গ্রামীণ হাসপাতালের আধিকারিকদের।”
তথ্যসূত্র:খবরঅনলাইন



