মাস্টার মশাই-কে করা হোক মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আর্জি শ্যামপুরের জনতার
ওয়েবডেস্ক: জন্মলগ্ন থেকে দলের সঙ্গে রয়েছেন। ধারাহিকভাবে ভাবে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। দলের সঙ্গে থেকে মানুষের জন্য কাজ করেছেন আবেগ আর নিষ্ঠা দিয়ে। যাঁর কথা বলা হচ্ছে তিনি পেশায় শিক্ষক তথা রাজনীতিবিদ এবং তৃণমূলের পাঁচ বারের বিধায়ক কালীপদ মণ্ডল।
শ্যামপুর বিধানসভা থেকে অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী কে হারিয়ে পঞ্চম বার বিধায়ক হলেন কালীপদবাবু। দুর্নীতির দাগ মুক্ত প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের যদি কোনও নেতার নামের তালিকা করা হয় তাহলে প্রথম ৫ জনের মধ্যে আসবে কালীপদ মণ্ডলের নাম। একাধারে শিক্ষক, আদর্শকে পাথেয় করে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করা কালীপদবাবুর শ্যামপুরে রাজত্ব বিশ বছর হয়ে গিয়েছে। এবার ফিরে আসায় আরো পাঁচ বারের জন্য বিধায়ক পদে মনোনীত হলেন তিনি।
শ্যামপুরের মানুষ তাদের বিধায়ককে মাটির মানুষ বলেই জানেন। নেই কোনও নিরাপত্তা রক্ষী। সকলের সঙ্গেই তাঁর ওঠাবসা। তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই আছেন দলের সঙ্গে। তৃণমূল নেত্রীর আস্থাভাজন তিনি। ২০০১ থেকে টানা জয়ের রেকর্ড। এমনকি ২০১৯ সালের মোদি ঝড়ে যখন বাংলার বিভিন্ন আসনে তৃণমূল পিছিয়ে তখনও উলুবেড়িয়া লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীকে লিড দিয়েছিলেন শ্যামপুরের কালীপদ মন্ডলই। ২০২১ এর নির্বাচনেও সংযুক্ত মোর্চার হয়ে কালীপদ মণ্ডলের বিপরীতে লড়েছেন অমিতাভ বাবু। আর বিজেপির প্রার্থী ছিলেন টলিউড অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী।
বিজেপির প্রার্থীর ওপরে বেশ ভালো আশা রাখছিল গেরুয়া শিবির। আদর্শের আইকন মাস্টার মশাইকে এই লড়াইয়ে হারাতে গরমে তীব্র দাবদাহে টোটো চড়ে প্রচার থেকে শুরু করে চায়ের দোকানে গিয়ে চা বানানো কম কিছু করতে হয়নি তনুশ্রীকে। তাও ফল মেলেনি। তারকা প্রার্থীকে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়েছেন কালীপদবাবু। তাই এবার শ্যামপুর বাসীর আর্জি এবার মন্ত্রী করা হোক আইকন কালীপদবাবুকে।
তথ্যসূত্রঃআজকাল



