কলকাতা

ইয়াস-এর দাপট কেটে যাওয়ার পরও অরূপ বিশ্বাস বিদ্যুৎ ভবনে

কলকাতা : আমফান থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার ঘূর্ণিঝড় ইয়াস-কে যুঝতে আগাম ব্যবস্থা নিয়েছিল বিদ্যুৎ দফতর। ব্যবস্থা ছিলই । তবে তেমন বিপর্যয় হয়নি। কিন্তু একেবারেই যে বিপর্যয় হয়নি সেটা নয়। প্রায় সব জেলাতেই সত্যি হয়েছে। তবে সেটা দ্রুত ঠিক করে নেওয়া হবে।” ইয়াস (Cyclone Yaas) -এর ল্যান্ডফলের পর রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি (State power situation) নিয়ে এই কথাই জানালেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Aroop Biawas)। মঙ্গলবার থেকে তিনি বিদ্যুৎ ভবনে ইয়াস-এর জন্য তৈরি কন্ট্রোল রুমে উপস্থিত রয়েছেন। সেখান থেকে তিনি ইয়াস-এর বিপর্যয় থেকে রাজ্যের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর নজরদারি চালাচ্ছেন। বুধবার ইয়াস-এর দাপট কেটে যাওয়ার পরও অরূপ বিশ্বাস বিদ্যুৎ ভবনের কন্ট্রোল রুমেই রয়েছেন। সর্বশেষ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন।

ইয়াস- আছড়ে পড়ার একদিন আগে অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই বিদ্যুৎ ভবনে কন্ট্রোল রুমে থেকে পুরো পরিস্থিতির ওপর নজরদারি করেছেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তাঁর সঙ্গে কন্ট্রোল রুমে ছিলেন রাজ্যের বিদ্যুৎ সচিব, সুরেশ কুমার, বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থার চেয়ারম্যান শান্তনু বসু ও অন্য আধিকারিকরা। সমস্ত জেলার জন্য অতিরিক্ত বৈদ্যুতিন তার, ট্রান্সফরমার ইত্যাদি নিয়ে বিদ্যুৎ দফতর প্রস্তুত ছিল। তাই ইয়াস-এর দ্বারা সৃষ্টি হওয়া বিপর্যয় রুখতে এবার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নিতে চলেছে বিদ্যুৎ দফতর।

ইয়াস ঘূর্ণিঝড় যাও আর কোথাও 24 ঘন্টা কোথাও 48 ঘন্টা কত 72 ঘন্টা কোথাও কয়েকদিন সময় লাগবে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে। তবে আম্ফান তুলনায় এবারে বিদ্যুৎ একটু কম ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দক্ষিণ 24 পরগনা জেলায় গোসোবা ও বাসন্তী ,সাগর, কুলতলী সহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।তাই যোগযোগ করা যাচ্ছে না। বিভিন্ন জায়গায় জল জমে আছে। তাই জল না নামা পর্যন্ত কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। বিকেল পাঁচটার মধ্যে সব জেলা থেকে খবর নিয়ে তার পর চিত্রটা স্পষ্ট হবে। তবে বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানান, “এমন কোনও জেলা নেই যেখানে পুরো জেলা জুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় হয়েছে।”

বুধবার অরূপ বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান, “ইয়াস-এর প্রভাবে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় প্রচুর পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কোথাও বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে গেছে। কোথাও আবার বিদ্যুতের সাবস্টেশন নষ্ট হয়ে গেছে। যে সমস্ত জেলাগুলোতে ক্ষতি হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর (East Midnapur), দুই ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। সার্বিকভাবে ক্ষতি হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম প্রভৃতি জেলায় ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে এমন কিছু জায়গা রয়েছে যেখানে ফোনের লাইন পাওয়া যাচ্ছে না।

Related Articles

Back to top button