কলকাতা

কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের দপ্তরে উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক করলেন রাজ্যের  সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র

কাকদ্বীপ: সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় প্রতিবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়। মানুষের বেঁচে থাকার চেষ্টা ভুলটুকু থাকেনা। সরকার যেটুকু ত্রাণ তাতে বা কি হতে পারে লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে প্রতিটি মানুষের। মানুষের এই অসহায় যন্ত্রনা চোখে যারা দেখছে তাদের বেদনায় বুক ভরে যাচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ও কোটালের জোড়া ফলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুন্দরবনের একাধিক নদী বাঁধ। নদী বাঁধ গুলিতে জলস্ফীতি কারণে ভেঙে গিয়ে প্লাবিত হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। নদীর নোনা জলে নষ্ট হয়েছে জমির ফসল।

আজ কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের দপ্তরে উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক করলেন রাজ্যের  সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা সহ ডায়মন্ডহারবার মহকুমা শাসক সুকান্ত সাহা, কাকদ্বীপ বিধানসভার বিধায়ক মন্টু রাম পাখিরা ,পাথরপ্রতিমা এর বিধায়ক সমীর জানা সহ একাধিক বিধায়ক ও উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিকরা। এই বৈঠকে মূলত সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে সুন্দরবনের স্থায়ী নদী বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে পর্যালোচনা হয়। রাজ্যের সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে ভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলিতে  স্থায়ীভাবে কংক্রিটের নদী বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

নদীর রুদ্ররূপে সামনে কার্যত অসহায় হয়ে মানুষ দেখলো তার চোখের সামনে শেষ সম্বল টুকু নি সমুদ্র ও নদী গ্রাস করে নিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিদর্শন করতে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দক্ষিণ 24 পরগনা ঘূর্ণিঝড় ইয়াস বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে পাশাপাশি তিনি নদী বাঁধ পরিদর্শন করেন। দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার বেশকিছু নদী বাঁধ রয়েছে যেগুলি মাটির তৈরি। জলস্ফীতি কারণে সেই মাটির বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে বহু গ্রাম অসহায় হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ আর কোনো অস্থায়ী নদীবাঁধ নয় এবার স্থায়ী নদী বাঁধ নির্মাণ করবে রাজ্য সরকার।

Related Articles

Back to top button