ফিউশন চায়ের কাপেও, মন কেড়েছে নলেন গুড়ের রসগোল্লার চা

নিজস্ব সংবাদদাতা: তন্দুরি, মালাই, পোড়া দুধ, চকোলেটের পর এবার নলেন গুড়ের রসগোল্লা।সার্থক পরীক্ষা। তথাকথিত চা’কে পেছনে ফেলে দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে সানির ফিউশন চা। শীতের আমেজে মনের মতো চায়ের কাপে চুমুক। আর সেই চা যদি হয় ফিউশন, তাহলে তো কথাই নেই। বর্তমানে চুঁচুড়াবাসীর শীতের আমেজ আনন্দদায়ক করে তুলেছে নলেন গুড়ের রসগোল্লার চা। মন কেড়েছে তরুণ তরুণীদের।
চুঁচুড়া জেলা আদালত সংলগ্ন ময়দানের পাশেই রয়েছে একটি ছোট্ট চায়ের দোকান। চা খেতে প্রতি সন্ধেয় সেই দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন তরুণ তরুণী থেকে মাঝবয়সি বা প্রবীণ সকলেই। এই দোকানের মূল আকর্ষণ চা, তাও আবার ফিউশন। বর্তমান সময়ে সবকিছুতেই নজরে পড়ে আধুনিকতার ছোঁয়া। তা, সব কিছুতেই যখন ফিউশন ঘটছে, তখন চা-ই বা পিছিয়ে থাকবে কেন। তাই এই উদ্যোগ। আগে একের পর এক সফল হয়েছে সানির তন্দুরি চা, মালাই চা, পোড়া দুধের চা, চকোলেট চা। এবার এর সঙ্গে নাম লেখাল নলেন গুড়ের রসগোল্লা চা।
চায়ের দোকান শুরু হওয়ার পেছনেও রয়েছে মজাদার কাহিনি। দোকান মালিকের নাম সানি মাল, বয়েস মাত্র ২০ বছর। হোটেল ম্যানেজমেন্ট পাশ করে দিব্যি ভিন রাজ্যে চাকরি করছিলেন সানি। বাধ সাধলো করোনা। লকডাউন, সংক্রমণ ইত্যাদি নানান সমস্যার কারণে তাঁকে ফিরে আসতে হয় বাড়িতে। বসে থাকা যায় না। পেশার তাগিদ আর চায়ের প্রতি ভালবাসাই তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল চায়ের দোকান খুলতে।
তবে তথাকথিত নয়। শুরু থেকেই চা-য়ে অভিনবত্ব আনাই ছিল তাঁর লক্ষ্য। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চায়ের পেয়ালায় ফিউশন করা শুরু করেছিলেন সানি। শুরুতে সাফল্য না পেলেও ধীরে ধীরে তাঁর ফিউশন চা মন কাড়তে শুরু করে তরুণ তরুণীদের। সেই থেকেই পথচলা শুরু ফিউশন চায়ের। তার পর একের পর এক নতুন নতুন পরীক্ষা সফল হতে থাকে। এবারেও সফল হয়েছে তাঁর নলেন গুরের রসগোল্লার চা।



