উত্তরে হাওয়ার পথে বাধা জোড়া ঝঞ্ঝা, আদৌও কি আর শীতের দাপট দেখবে বাংলা?

নিজস্ব সংবাদদাতা: পৌষ শেষেই দেখা দিয়েছিল সম্ভাবনা। এমনকী উষ্ণতম মকর সংক্রান্তির সাক্ষীও থেকেছিল কলকাতা। মাঘের শুরু থেকেই ধীরে ধীরে চড়তে শুরু করেছিল তাপমাত্রার পারা। এদিকে এরমধ্যে উত্তরে হাওয়ার পথ আটকে বসে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। বঙ্গোপসাগের তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। সবমিলিয়ে বিগত কয়েকদিনে অনেকটাই তাপমাত্রা বেড়েছে বাংলায়।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, এই অবস্থা জারি থাকবে আরও বেশ কয়েকদিন। বাড়বে দিন ও রাতের তাপমাত্রা। সহজ কথায় শীতের আমেজ কমবে। বাড়বে উষ্ণতা। সপ্তাহভর দেখা মিলবে শুষ্ক আবহাওয়ার। তবে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা আপাতত নেই বলে জানা যাচ্ছে। গোটা রাজ্যেই দেখা যাবে এই ছবি। উত্তরবঙ্গে খানিক পারাপতন দেখা গেলেও শীত ভাগ্য ভাল নয় দক্ষিণবঙ্গের।
এক রাতে দুই ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়েছে তিলোত্তমায়। আগামী কয়েকদিন কলকাতায় দিনের বেলায় শীতের আমেজ উধাও হবে। শীতেই রীতিমতো উষ্ণতার ছোঁয়া কলকাতার বুকে। রবিবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী সর্বোচ্চ ঘণ্টায় শঙরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ থাকছে ৪৪ থেকে ৯৪ শতাংশ।
বর্তমানে উত্তর পশ্চিম ভারতে সক্রিয় রয়েছে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। পাশাপাশি আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের উপর। পাশাপাশি ঘুর্ণাবর্ত রয়েছে রাজস্থানের উপর। সব মিলয়ে উত্তর পশ্চিমে হাওয়ার দাপট কমছে বাংলায়। যে কারণে শীতের দাপট কমেছে।
এরইমধ্যে কয়েকদিন আগে বঙ্গোপসাগের একটি উচ্চচাপ বলয় তৈরি হয়েছিল। তার জেরে গরম বেড়েছিল বাংলায়। এমনকী বৃষ্টির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে। সাগরের দিকে এমনকী পূর্ব মেদিনীপুরের কিছু অংশেও গত বুধবার এক পসলা বৃষ্টি হতে দেখা যায়। বুধবার মধ্যরাতে দু-এক পসলা বৃষ্টি হয় শহর কলকাতাতে। তবে তারপর থেকেই চলছে রোদ-মেঘের লুকোচুরি। যদিও রবিবার ছুটির দিনেক মেঘ আর কুয়াশার চাদর ভেদ করে খানিক রোদঝলমলে আকাশের দেখা মিলেছে। তবে আবহাওয়বিদদের নতে ঝঞ্ঝার দাপট না কমলে শীত ভাগ্য ভাল হবে না বাংলার।



