কলকাতা

হতদরিদ্র পরিবারগুলো আজও অপেক্ষায়, ড: রতন কুমার বাড়ৈ কবে ফিরবেন কলকাতায়

 

 

যেখানে একটু সম্পত্তির লোভে স্বার্থলোভী মানুষ গুলো একের পর এক সম্পত্তির লোভে মানুষ খুন করতে পারে। এই রাজ্যে তার ঠিক উল্টো পুরাণের চরিত্র আরেকটি মানুষ এই বাংলায় বিরাজমান, তিনি বাংলা কেন বাংলার বাইরে ও একাধিক দেশে নির্দিষ্ট সম্মানীয় পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি আমাদের সবার মাঝে ড: রতন কুমার বাড়ৈ এই পরিচয় মানবতার উচ্চতর স্থানে পৌঁছে গিয়েছেন! তার মানব সেবাই প্রথম ধর্ম ও মানবতায় একমাত্র লক্ষ্য রাজ্য তথা রাজ্যের বাইরে সেই পরিধি বিস্তার লাভ করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটা ত্রিশ মিনিটে মানব সেবা কাজে , নিজের পুত্র সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে মুম্বাই উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে। রাত ন’টার মধ্যে মুম্বাই শহরে তিনি পদার্পন করবেন নিজের পুত্র সন্তানের ইঞ্জিনিয়ারিং সুযোগ পাওয়ার দৌলতে। তিনি সেই এলাকায় যেভাবে মানুষের সেবা করে গেছে তার জন্য বিমানবন্দরে নামার সাথে সাথে কয়েকজন মানুষ উপস্থিত রয়েছেন ভাবা যায় না যেখানে যায় সেখানে অপেক্ষা করেন রতন বাবুর জন্য বহু মানুষ।

এত গুণী মানুষ আগামী দিনেই আর কি পাওয়া যাবে , তিনি সংসার জীবনে মানুষের সেবা করতে করতে একজন মহাপুরুষ এইটুকু না বললে দ্বিধাবোধ করা হবে।শহরে-বন্দরে, গ্রামে-গঞ্জে কোথায়ও বাদ নেই মানবতাপ্রেমী ব্যক্তির উপস্থিতি। তবে ড: রতন কুমার বাড়ৈ চরিত্রটা অন্যরকম নিজের পকেটের অর্থ ব্যয় করে মানুষ সেবায় নিযুক্ত হয়ে আছেন বহুদিন যাবত! শুধু মুখে মুখে তারা মানবতাপ্রেমী না কি কমের্ও তার পরিচয় মিলে তা চিন্তার করেন। সত্যি সত্যি তিনি মানুষের উপকার করেছেন বহু মানুষের জীবনের দুবেলা দুমুঠো অন্ন তুলে দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। শহর থেকে গ্রামে যেখানেই দৃষ্টি ফেলি না কেন, মানবকল্যাণ নামে যে দিকটি আমাদের চোখের সামনে ভাসে তা হচ্ছে, বিকল্প আর কেউ নেই রতন বাবুর। নিজের বা প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রসারের মাধ্যমে সবার দৃষ্টি আকষর্ণ তিনি করেছেন।

বড় বড় সাইনবোডের্, বিলবোডের্, লিফলেট, ব্যানার টানিয়ে মিডিয়া ডেকে মানুষকে সাহায্য করেন না, আড়ালে একটার পর একটা মানুষের সহযোগিতা তিনি করে গেছেন। মানবতা কি হতে পারে ? তা আজ তাদের অধিকার বুঝিয়ে দিয়েছেন। আজও মানব সেবায় যারা জড়িত তাদের সবার মাঝে এ কাজের প্রতি উদ্বুদ্ধকারী হিসেবে যে শক্তি কাজ করে, সেটা হচ্ছে ড: রতন কুমার বাড়ৈ। যার মাঝে মানবতাবোধ আছে সেই মানবসেবার একাজে এগিয়ে আসে। প্রাণঘাতী মহামারি করোনায় এ মানবতাবোধের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। উদাহরণস্বরূপ বলতে গেলেই রতন বাবুর নামটা বলতেই হবে।এদিকে প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে বিপর্যস্ত মানবতা। অধিকাংশ মানুষই অসহায় দারিদ্রপীড়িত।

করোনার কারণে এ অসহায়ত্ব বেড়ে গেছে অনেকগুণ। কর্ম বন্ধ হওয়ায় সাধারণ মানুষের অভাবও বেড়ে গেছে। অভাবের তাড়নায় চিন্তিত অস্থির মানুষ স্বাভাবিক কাজ তথা জীবন-যাপনে গতি হারিয়ে ফেলেছে। মানবতার উপকারে আসে একমাত্র ড: রতন কুমার বাড়ৈ। তবে আজকের দিনটা কলকাতার বুকে সেই মহান ব্যক্তিত্বের জন্য সবাই যেন অপেক্ষাকৃত রয়েছে! কবে আবার ফিরবেন তিনি বাংলাতে, হতাশ যেন রতন বাবুর জন্য হতদরিদ্র সাধারণ মানুষ গুলো! তবে রতন বাবু জানিয়েছেন মানুষের ভালবসায় আবার ফিরতে হবে সোমবার রাতে কলকাতাতে।

Related Articles

Back to top button