জাতীয়

ইডি-সিবিআইয়ের সাঁড়াশি চাপ, জমির বদলে চাকরির দুর্নীতি মামলায় আজ আদালতে কি হাজিরা দেবেন লালু-রাবড়ি

নিজস্ব সংবাদদাতা: চাপ বাড়ছে যাদব পরিবারের। বিহারে জমির বিরুদ্ধে চাকরির দুর্নীতি-তে আজ, বুধবার আদালতে হাজিরা দিতে হবে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ , তাঁর স্ত্রী তথা বিহারের অপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী সহ ১৪ জনকে। আজ দিল্লি আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁদের। এই মামলার তদন্ত করছে ইডি ও সিবিআই।

সম্প্রতিই আদালতে জমা দেওয়া সিবিআই চার্জশিটে বলা হয়েছে, ২০০৪ সাল থেকে ২০০৯ সাল অবধি, যে সময়ে লালু প্রসাদ যাদব রেলমন্ত্রী ছিলেন, সেই সময় রেলে চাকরির বদলে কম মূল্য়ে বা বিনামূল্যেই জমি দেওয়া হয়েছিল। ভারতীয় রেলওয়ের নিয়োগের নিয়ম না মেনেই এই নিয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, জমির বিনিময়ে চাকরির দুর্নীতিতে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদব ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। জমির বাজারদর থেকে প্রায় এক পঞ্চমাংশ কম দামে এই জমিগুলি কিনে নেওয়া হয়েছিল। সেই জমিগুলি লালু প্রসাদ যাদব, রাবড়ি দেবী, তেজস্বী যাদব থেকে শুরু করে আরজেডির একাধিক নেতাদের নামে বা বেনামে রয়েছে।

 

হৃদরোগের সমস্যা ছাড়াও ধড়ফড় করে ওঠে বুক, জেনে নিন কারণ এবং ঘরোয়া সমাধান

 

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি এই মামলার শুনানিতে বিশেষ বিচারপতি গীতাঞ্জলি গোয়েল ১৫ মার্চ লালু প্রসাদ যাদব, রাবড়ি দেবী, মিশা ভারতী সহ মোট ১৬ জনকে আদালতে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, সিবিআইয়ের চার্জশিটে লালু প্রসাদ যাদব, রাবড়ি দেবীর নাম উল্লেখ থাকলেও, কারোর বিরুদ্ধেই গ্রেফতারির দাবি জানানো হয়নি।

অন্য়দিকে, জমির বদলে চাকরির দুর্নীতি মামলায় ইডির তরফেও বিবৃতি পেশ করা হয়েছে। সেই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে যে তদন্ত করা হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে পটনা সহ বিহারের একাধিক জায়গায় বেআইনিভাবে জমি দখল করেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব ও তাঁর পরিবার। রেলে চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে এই জমিগুলি দখল করে নেওয়া হয়েছিল বলেই জানা গিয়েছে। ইডির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বেআইনিভাবে অধিগ্রহণ করা এই জমিগুলির বর্তমান বাজারমূল্য ২০০ কোটি টাকা।  একাধিক বেনামী ব্যক্তি, শেল কম্পানির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে, যাদের মাধ্যমে দুর্নীতির টাকা সাদা করা হত।

Related Articles

Back to top button