রাজ্য

সাংবিধানিক অধিকার থেকে কেন বঞ্চিত? কুড়মি-বিক্ষোভে অবরুদ্ধে একাধিক রাস্তা

বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রাম: কুড়মি জাতিকে তপশিলি উপজাতিভুক্ত করতে হবে, এমন একাধিক দাবিতে সকাল থেকে অবরুদ্ধে একাধিক জেলা। কুড়মালি ভাষাকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি সারণা ধর্মকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা কুড়মি জাতির মানুষেরা। মোট চার দফা দাবিতে শনিবার সকাল থেকে বাঁকুড়ার সিমলাপাল থানার হরিণটুলি গ্রামে পথ অবরোধ শুরু করেছে কুড়মি সমাজ। অবরোধ চলছে ঝাড়গ্রামের জাম্বনি মোড়েও। একই ছবি দেখা গিয়েছে পুরুলিয়াতেও।

এদিন সকাল ৬ টা থেকে বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম রাজ্য সড়ক অবরোধস করা হয়। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কুড়মি সমাজের মানুষজন। এই অবরোধের জেরে সকাল থেকেই বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম রাজ্য সড়কে যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে যায়। সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা ধরে এই অবরোধ চলবে বলে জানানো হয়েছে। আগেও এভাবে রাস্তা, রেলপথ অবরোধ করে আন্দোলন করতে দেখা গিয়েছে কুড়মি সম্প্রদায়কে। তারপরও তাঁদের দাবি পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ।

 

 প্রথম হোম ম্যাচে নামছে লখনউ, সামনে শক্তিশালী দিল্লি

 

 

উত্তম কুমার মাহাতো নামে কুড়মি সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি বলেন, ‘৭৩ বছর ধরে এই আন্দোলন চলছে। আমরা সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আছি। বারবার আন্দোলন করার পরও সরকারের কোনও ভ্রূক্ষেপ করছে না। এবারও দাবি না মানা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।’ ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতায় সাইকেল অভিযান করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

শুধু একদিনের অবরোধ নয়, রবিবার থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে এই কুড়মি সমাজের তরফে। ফলে জঙ্গলমহলের জনজীবন কার্যত স্তব্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জাতীয় সড়ক ও রেল অবরোধ করার কর্মসূচিও রয়েছে এই কুড়মি সমাজের।

Related Articles

Back to top button