খুন করে ৬ টুকরো করল প্রাক্তন প্রেমিকাকে, গোটা পরিবারের সাহায্য !

নিজস্ব সংবাদদাতা : দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের ছায়া এবার উত্তর প্রদেশে । দিল্লিতে যেভাবে লিভ-ইন সঙ্গী শ্রদ্ধা ওয়াকারকে খুন করে ৩৫ টুকরো করেছিল প্রেমিক আফতাব আমিন পুনাওয়ালা, সেভাবেই উত্তর প্রদেশের প্রিন্স যাদবও প্রাক্তন প্রেমিকাকে খুন করে ৬ টুকরো করে দেহ ফেলে দিয়েছিল কুয়োয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার উত্তর প্রদেশের আজমগড় থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে। ওই অ়ঞ্চলেরই একটি কুয়ো থেকে এক যুবতীর খণ্ড-বিখণ্ড দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গত ১৫ নভেম্বর আজমগড়ের পশ্চিমী গ্রামের একটি কুয়োয় এক যুবতীর খণ্ড-বিখণ্ড দেহ ভাসতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে ওই দেহ দেখতে পান, সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ অর্ধনগ্ন অবস্থায় এক যুবতীর দেহের ছয় টুকরো উদ্ধার করে। এরপরই তদন্ত শুরু হয়। পাশেরই একটি কুয়ো থেকে উদ্ধার করা হয় কাটা মাথা।
আজমগড়ের পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্ট অনুরাগ আর্য জানান, মৃত ওই যুবতীকে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। মৃতার নাম আরাধনা। দেহটি দুই-তিনদিনের পুরনো হওয়ায়, ইতিমধ্যেই পচন ধরে গিয়েছিল। তদন্তে প্রিন্স যাদব নামক এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছে, সম্পর্ক ছিন্ন করে অন্য এক ব্যক্তিকে বিয়ে করার কারণেই সে পরিবারের সাহায্য নিয়ে প্রাক্তন প্রেমিকাকে খুন করে এবং দেহ ছয় টুকরো করে কুয়ো ও পুকুরে ফেলে দেয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার অভিযুক্ত প্রিন্স যাদবকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু অভিযুক্ত একটি দেশি পিস্তল জোগাড় করে পালানোর চেষ্টা করে, গুলিও চালায় পুলিশের উপরে। দুই পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়, প্রিন্সের পায়ে গুলি চালায় পুলিশ। চিকিৎসার পরে অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জেরায় প্রিন্স জানায়, নিহত আরাধনার সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু চলতি বছরের শুরুতেই তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়, অন্য এক ব্যক্তিকে বিয়ে করে নেয় আরাধনা। সেই সময় থেকেই মনে রাগ পুষে রেখেছিল প্রিন্স।
সম্প্রতিই আরাধনার সঙ্গে ফের যোগাযোগ হয়। ইশাকপুর গ্রামের বাসিন্দা আরাধনাকে দেখা করতে বলে প্রিন্স। গত ৯ নভেম্বর বাইকে করে আরাধনাকে একটি মন্দিরে নিয়ে যায়। সেখানেই প্রিন্সের খুড়তুতো ভাই সর্বেশ অপেক্ষা করছিল। দুইজনে মিলে আরাধনাকে পাশের একটি আখের ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে গলা টিপে খুন করে। এরপরে দুইজনের মিলে যুবতীর দেহ ৬ টুকরো করে। কালো পলিথিন ব্যাগে ভরে সেই দেহ পশ্চিমী গ্রামের একটি কুয়োয় ফেলে দেয়। কাটা মাথাটি ফেলে দেয় পাশের একটি পুকুরে।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তের কাছ থেকে একটি দেশি পিস্তল, কার্তুজ ও একটি ধারাল অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত প্রিন্সকে গ্রেফতার করা হলেও, সর্বেশ, প্রমিলা যাদব, সুমন, রাজারাম, কলাবতী, মঞ্জু ও শীলা যাদব পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার অভিযুক্ত প্রিন্স যাদবকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু অভিযুক্ত একটি দেশি পিস্তল জোগাড় করে পালানোর চেষ্টা করে, গুলিও চালায় পুলিশের উপরে। দুই পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়, প্রিন্সের পায়ে গুলি চালায় পুলিশ। চিকিৎসার পরে অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জেরায় প্রিন্স জানায়, নিহত আরাধনার সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু চলতি বছরের শুরুতেই তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়, অন্য এক ব্যক্তিকে বিয়ে করে নেয় আরাধনা। সেই সময় থেকেই মনে রাগ পুষে রেখেছিল প্রিন্স।
সম্প্রতিই আরাধনার সঙ্গে ফের যোগাযোগ হয়। ইশাকপুর গ্রামের বাসিন্দা আরাধনাকে দেখা করতে বলে প্রিন্স। গত ৯ নভেম্বর বাইকে করে আরাধনাকে একটি মন্দিরে নিয়ে যায়। সেখানেই প্রিন্সের খুড়তুতো ভাই সর্বেশ অপেক্ষা করছিল। দুইজনে মিলে আরাধনাকে পাশের একটি আখের ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে গলা টিপে খুন করে। এরপরে দুইজনের মিলে যুবতীর দেহ ৬ টুকরো করে। কালো পলিথিন ব্যাগে ভরে সেই দেহ পশ্চিমী গ্রামের একটি কুয়োয় ফেলে দেয়। কাটা মাথাটি ফেলে দেয় পাশের একটি পুকুরে।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তের কাছ থেকে একটি দেশি পিস্তল, কার্তুজ ও একটি ধারাল অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত প্রিন্সকে গ্রেফতার করা হলেও, সর্বেশ, প্রমিলা যাদব, সুমন, রাজারাম, কলাবতী, মঞ্জু ও শীলা যাদব পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে।


