জানা-অজানা

কী বলছে পুলিশ আফতাবের পলিগ্রাফ পরীক্ষার পর?

নিজস্ব সংবাদদাতা : ৩৫ টুকরো দেহ, দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে তা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে এসেছিল আফতাব আমিন পুনাওয়ালা । ৬ মাস ধরে কেউ কিছু জানতেও পারেনি। দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়াকা -র খুনের মামলার কিনারা করতে এবার পলিগ্রাফ পরীক্ষা করানো হল অভিযুক্ত আফতাব আমিনকে। মঙ্গলবার রোহিণীর ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে তিন ঘণ্টা ধরে পলিগ্রাফ পরীক্ষা  করা হয় আফতাবের। আজ,বুধবারও ফের পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হতে পারে আফতাবকে। অন্যদিকে, শ্রদ্ধার কাটা মুন্ডুর খোঁজে দিল্লির বিভিন্ন পুকুরের জল তুলে ফেলা হচ্ছে। শ্রদ্ধার মাথা খুঁজতে আফতাবকেও সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হতে পারে, এমনটাই জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আদালতের অনুমতি পাওয়ার পর মঙ্গলবার দিল্লির রোহিণীতে ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে নিয়ে যাওয়া হয় আফতাবকে। সেখানে প্রথম তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এরপর তাঁর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। তিন ঘণ্টা ধরে চলে পলিগ্রাফ পরীক্ষা, মোট ১৫ থেকে ২০ টি প্রশ্ন করা হয় তাঁকে।

এরপরে তাঁর নারকো অ্যানালিসিস পরীক্ষা করা হবে।দিল্লির ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর সঞ্জীব কুমার গুপ্ত বলেন, “অপরাধীর মুখ থেকে সত্য বের করতেই পলিগ্রাফ ও নারকো অ্যানালাইসিস পরীক্ষা করানো হয়। পলিগ্রাফ পরীক্ষায় অপরাধীর সজ্ঞানে প্রশ্ন করা হয়। সেখানেই নারকো পরীক্ষায় অবচেতন অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।”মঙ্গলবারই চারদিনের জন্য পুলিশ হেফাফতে পাঠানো হয় আফতাবকে। আজ, বুধবার ফের পলিগ্রাফ পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হতে পারে আফতাবকে। ভীম রাও আম্বেদকর হাসপাতালে করানো হতে পারে নারকো টেস্টও।

একইসঙ্গে জানা গিয়েছে, দিল্লির ময়দান গারহির একটি পুকুরেও নিয়ে যাওয়া হতে পারে আফতাবকে। পুলিশের সন্দেহ, এই পুকুরেই হয়তো শ্রদ্ধার কাটা মুন্ডু ফেলে দিয়েছিল আফতাব।মঙ্গলবার আদালতে আফতাব জানায়, রাগের বশেই শ্রদ্ধাকে খুন করেছিল সে। তদন্তকারীদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতাও করছে, কিন্তু ঘটনার দিন ও তার আগের বেশ কিছু দিনের অধিকাংশ কথাই তাঁর মনে পড়ছে না। পুলিশের তরফেও জানানো হয়েছে, আফতাব বারবার বয়ান বদল করছে, এরফলে তদন্তে অসুবিধা হচ্ছে। সেই কারণেই পলিগ্রাফ ও নারকো অ্যানালাইসিস পরীক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল।

Related Articles

Back to top button