একের পর এক গুলি চলছে দিনের আলোয় প্রকাশ্য রাস্তায় , কুখ্যাত গ্যাংস্টার খতম ‘গ্যাং ওয়ারে’

নিজস্ব সংবাদদাতা: সাতসকালে ভরা রাস্তায় গ্যাংস্টারদের লড়াই। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে এক কুখ্যাক গ্যাংস্টার সহ মোট দুইজনের মৃত্যু হল। গুরুতর আহত হয়েঠেন আরও চারজন। ওই চারজনই দুষ্কৃতী গোষ্ঠীর সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানে। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার সকালে দুই দুষ্কৃতী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। আচমকাই দুই গোষ্ঠী একে অপরের উপরে গুলি চালাতে শুরু করে।
গুলির আঘাতে মৃত্যু হয় রাজু থেট নামক এক গ্যাংস্টারের। মৃত অপর ব্যক্তি সাধারণ পথচলতি একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন বলেই জানা গিয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করেছে এবং তাদের গ্রেফতার করতে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ রাজস্থানের শিকার শহরের পিপরালি রোডে আচমকাই দুই গ্যাংস্টার গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। রাজু থেট নামক ওই গ্যাংস্টারের বাড়ি ওখানেই। তিনি বাড়ি থেকে বের হতেই গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। এরপরই সংঘর্ষ শুরু হয়। তিনটি গুলি লাগে রাজু থেটের। ঘটনাস্থলেই মারা যান ওই গ্যাংস্টার। গুরুতর জখম হন দুই গোষ্ঠীর চারজন। যে গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছিল, তারা শেখাওয়াতি অঞ্চলের আরেকটি দুষ্কৃতী গোষ্ঠী বলেই জানা গিয়েছে।
একাধিক সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, চার ব্যক্তি রাজু থেটকে নিশানা করে গুলি চালাচ্ছেন। এরপরই তারা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যান। পথচলতি মানুষেরা যাতে সরে যায়, তার জন্য অভিযুক্তদের মধ্যে একজন শূন্যেও গুলি চালায়।
এদিকে, গ্যাংস্টার রাজু থেটের খুনের ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই রোহিত গোধারা নামক এক ব্যক্তি নিজেকে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাংয়ের বলে পরিচয় দেয় ফেসবুকে এবং রাজু থেটের খুনের দায় স্বীকার করে নেন। ওই ব্যক্তির দাবি, আনন্দপাল সিং ও বলবীর বানুদা নামক দুইজনের মৃত্যুর বদলা নিতেই রাজুকে খুন করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বলবীর বানুদা রাজস্থানের আনন্দপাল গ্যাংয়ের সদস্য ছিলেন। ২০১৪ সালের জুলাই মাসে বিকানীর জেলে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে, রাজু থেটের মৃত্যুর পরই তাঁর সমর্থকরা শিকারে বনধ ডেকেছেন। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন তারা। আজ শিকারে বিজেপির “জন আক্রোশ যাত্রা” ছিল। রাজু থেটের হত্যাকাণ্ডের পর তা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে অশান্তির ভয়ে।


