‘বছরে দুবার DA দেওয়া সম্ভব নয়’,সিংভির সওয়াল সুপ্রিম কোর্টে, ১৪ ডিসেম্বর ফের শুনানি

নিজস্ব সংবাদদাতা: ডিএ মামলা অর্থাৎ বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত মামলায় কোনও আশার আলো দেখলেন না রাজ্য সরকারি কর্মীরা। হাইকোর্ট থেকে লড়াই সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে ইতিমধ্যেই। তবে সেই মামলায় আপাতত কোনও অন্তর্বতী আদেশ দিল না শীর্ষ আদালত। আগামী ১৪ ডিসেম্বর ফের এই মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। সব পক্ষকে নোটিস দিয়েছে আদালত। হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বকেয়া ডিএ দেওয়ার দাবি জানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই লড়ছেন রাজ্য সরকারি কর্মীদের একটা বড় অংশ।
কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, অবিলম্বে বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। তিন মাস সময়ও দেওয়া হয়েছিল রাজ্যকে। সেই সময় পেরিয়ে যাওয়ায় রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় হয়। আজ, সোমবার সুপ্রিম কোর্টে ছিল সেই মামলার শুনানি। এদিন রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি।
এই মামলায় সরকারি কর্মী সংগঠনের পক্ষে সওয়াল করছেন আইনজীনী বিকাশ ভট্টাচার্য ও রাজ্যের পক্ষে লড়ছেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী ও বিচারপতি ঋষিকেশ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি চলছে। রাজ্যের আইনজীবী সওয়াল করেন, বছরে দুবার ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়, তাতে ৪২ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। রাজ্যের মাথায় বাড়তি বোঝা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কেন এই বাড়তি বোঝা, তা হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে রাজ্যকে। আইনজীবী আরও জানান, রাজ্য সরকার ১২৫ শতাংশ হারে ডিএ দিয়েছে।
মে মাসে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, তিন মাসের মধ্যে সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দিতে হবে। হাইকোর্টে বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, মহার্ঘ ভাতা সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য, তাই তিন মাসের মধ্যে তা মিটিয়ে দিতে হবে। সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও বকেয়া টাকা না পাওয়ায় ফের আদালতের দ্বারস্থ হয় সরকারি কর্মী সংগঠনগুলি। বকেয়া টাকা না দিয়ে আদালত অবমাননা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে।



