প্রত্যেকেরই পাকা বাড়ি, আবাস যোজনার তালিকায় প্রধানের গোটা পরিবারের নাম

নিজস্ব সংবাদদাতা: আবাস যোজনা প্রকল্পে ঘর পাওয়ার তালিকায় জ্বলজ্বল করছে প্রধানের নাম। প্রধানের নামের পরেই তাঁর শ্বশুরের নাম। শুধু তাই নয়, এই তালিকায় স্পষ্ট প্রধানের আরও ছয় আত্মীয়ের নামও। সব মিলিয়ে তালিকায় মোট ৮ জনের নাম। প্রধান-সহ সকল আত্মীয়দের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও এমনই আবাস যোজনা প্রকল্পের ঘর পাওয়ার তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল মঙ্গলকোটের ভাল্য গ্রাম পঞ্চায়েতে। বিপাকে পড়েছে মঙ্গলকোটের ভাল্যগ্রাম পঞ্চায়েত প্ৰধান পার্বতী ঘোষ। ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা।
অভিযোগ, মঙ্গলকোটের ভাল্যগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আবাস প্লাস যোজনায় প্রধান পার্বতী ঘোষ ও তাঁর শ্বশুর দোনাই ঘোষ পাকা বাড়িতে বাস করেও ঘর পাওয়ার তালিকায় তাঁদের নাম। এমনকি তালিকায় প্রধানের আরও ৬ আত্মীয়র নাম। যে গ্রামবাসীরা মাটির ঘরে বাস করেন, ঘর পাওয়ার যোগ্য তাঁদের তালিকায় নাম না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে।
প্রধান পার্বতী ঘোষ TV9 বাংলার ক্যামেরা দেখে হাতজোড় করে এড়িয়ে গিয়েছেন। জানা গিয়েছে, আগে তাঁর মাটির ঘর ছিল। সেই সময় তালিকায় তাঁর নাম দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁর শ্বশুর ও আত্মীয়দের নাম কীভাবে ?এই প্রশ্ন শুনেই এড়িয়ে যান তিনি। ব্লকের বিডিও জগদীশ চন্দ্র বাড়ুই এই বিষয়ে বলেন, “শুনেছি ভাল্যগ্রাম পঞ্চায়েত প্ৰধানের নাম আছে। সরকারি গাইড লাইন অনুযায়ী যাঁরা ঘরের প্রাপ্য, তাঁরাই ঘর পাবেন। বাকিদের নাম বাদ দেওয়া হবে।”
প্রধানের আত্মীয় অজিত ঘোষের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, পাকা দালান বাড়ি। কিন্তু বাড়িতে কেউ নেই। তালা দেওয়া। গ্রামবাসীরা জানান, খবর পেয়েই বাড়িতে তালা দিয়ে চলে গিয়েছে। যদিও প্রধানের এই আত্মীয় অজিত ঘোষের সঙ্গে পরে দেখা হলে তাঁর সাফাই, “আত্মীয় হলেও প্রধানের সঙ্গে আমার বিরোধিতা। কেউ আমার নাম ঢুকিয়ে দিয়েছে। কে তা জানি না। তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে জানিয়েছি।”



