রাজ্য

দলের কর্মীর অভিযোগেই রাতারাতি পুলিশ হেফাজতে অনুব্রত, শিবঠাকুরকে নিয়ে কী ভাবছে তৃণমূল?

নিজস্ব সংবাদদাতা: শিবঠাকুর মণ্ডল, মঙ্গলবার দিনভর এই নাম নিয়েই চর্চা হয়েছে বিভিন্ন মহলে। বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছেন তিনি, যার প্রেক্ষিতে রাতারাতি গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। সাতদিন পুলিশ হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অনুব্রতকে। কে এই শিবঠাকুর? বেশ কয়েক মাস আগে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে হঠাৎ কেন অভিযোগ করার কথা মনে পড়ল তাঁর? এ সব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত শিবঠাকুরকে নিয়ে কী ভাবছে দল?

রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বের অভিযোগ সামনে এসেছে। কিন্তু তাই বলে অনুব্রত মণ্ডল? তাঁর প্রভাবের কথা সর্বজনবিদিত। জেলে যাওয়ার পর তৃণমূল নেতাদের মুখে তাঁর বিরুদ্ধে তেমন কোনও কথা শোনা যায়নি। তাঁকে বীরের সম্মান দিয়ে ফিরিয়ে আনার কথা বলেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাস ধরে জেলে থাকা সত্ত্বেও জেলা সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়নি তাঁকে। সেই অনুব্রতর বিরুদ্ধে একজন তৃণমূলকর্মীর অভিযোগ কী চোখে দেখছে দল?

এই প্রসঙ্গে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সহ সভাপতি তথা আইনজীবী মলয় মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শিবঠাকুরের বিষয়ে জেলার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটিকে জানানো হয়েছে। সেখান থেকেই যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে। আগামী ২৩ ডিসেম্বর সেই শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক হবে, সেখানেই ঠিক হবে শিবঠাকুরের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে আগামিদিনে। শিবঠাকুর  কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

শিবঠাকুরের দাবি, তিনি নাকি দল পরিবর্তন করার কথা ভেবেছিলেন। সে কথা জেনে যাওয়াতেই তাঁকে দলীয় কার্যালয়ে ডেকে পাঠিয়েছিলেন অনুব্রত। এরপর সেখানে তাঁর গলা টিপে ধরা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন শিবঠাকুর। সেই অভিযোগ নিয়েই সোমবার দুবরাজপুর থানায় একটি এফআইআর করেছেন তিনি।উল্লেখ্য, বুধবার সকালে অন্য একটি মামলা সংক্রান্ত কাজে দুবরাজপুর থানায় গিয়েছিলেন মলয় মুখোপাধ্যায়। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি জানান, অনুব্রত ভালই আছেন, রাতে ভাল ঘুমও হয়েছে।

Related Articles

Back to top button