রাজ্য

সমবায় নির্বাচনে নন্দীগ্রামে ঝরল রক্ত, বড় জয় হাসিল করে শেষ হাসি তৃণমূলের

নিজস্ব সংবাদদাতা: বছর ঘুরতেই পঞ্চায়েত ভোট । তার আগে পূর্ব মেদিনীপুরে  একের পর সমবায়ের দখল ধরে রাখছে ঘাসফুল শিবির। সম্প্রতি, এই জেলাতেই একাধিক সমবায় সমিতির নির্বাচনে রাম-বাম জোটের ছবি দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। নন্দকুমারে বড় জয়ও হাসিল করেছিল ঘাসফুল শিবির। তবে জেলার একাধিক সমবায়ে নন্দকুমার মডেলে ভোট হলেও ধরাশায়ী হয়েছিল বিরোধী জোট। এবার নন্দীগ্রাম ২ এর ভেটুরিয়া সমবায় সমিতির নির্বাচনে বড় জয় পেল তৃণমূল।

সূত্রের খবর, ১২ আসনের ভেটুরিয়া সমবায় সমিতিতে আগেই ১টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছিল তৃণমূল। ১১টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল বিজেপি। তবে শেষ হাসি হাসে তৃণমূল। ১১ আসনেই জয়ী হয় তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থীরা।

সমবায় নির্বাচন ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই টানটান উত্তেজনা ছিল এলাকায়। পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ ছিল গোটা এলাকা। তবে ভোট গ্রহণ পর্ব শুরু হতেই অশান্তির খবর সামনে আসতে থাকে। সংঘর্ষে জড়াতে দেখা যায় বিজেপি ও তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের। ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয় গোটা এলাকায়।

সংঘর্ষের জেরে তৃণমূলের এক কর্মীর মাথাও ফেটেছে বলে অভিযোগ। তবে বিজেপির অভিযোগ পুলিশের সামনেই তাঁদের দলের কর্মী-সমর্থদের উপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের লোকজন। সংঘর্ষের জেরে উভয় পক্ষের ১৫ থেকে ২০ জন সমর্থক আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে আহতদের।

শাসকদলের লোকজন পুলিশের সামনেই বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে স্পষ্ট অভিযোগ এলাকার বিজেপি নেতা বটকৃষ্ণ দাসের। এমনকী যে সময় বিজেপি কর্মীদের মারধার করা হচ্ছিল তা দেখেও তৃণমূল কর্মীদের পুলিশ থামানোর চেষ্টা করেনি বলে অভিযোগ তাঁর। তবে পাল্টা বিজেপির দিতে আঙুল তুলেছে ঘাসফুল শিবির। উল্টে তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপি নেতারাই বাইকে করে বহিরাগত লোকজন নিয়ে ঝামেলা পাকিয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

ভোট বানচাল করতেই বিজেপির লোকরা বাঁশ লাঠি নিয়ে তৃণমূল সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে পদ্ম শিবির। যদিও উত্তপ্ত আবহাওয়ার মধ্যে নির্বাচনী জয়ে উচ্ছ্বসিত ঘাসফুল শিবির। নন্দীগ্রাম ২ তৃণমূলের ব্লক সভাপতি অরুনাভ ভুঁইয়া বলেন, “বিজেপি সন্ত্রাস করে ভোটে জিততে চেয়েছিল। কিন্তু মানুষ সব অপচেষ্টা ব্যার্থ করে আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে।”

Related Articles

Back to top button