জাতীয়

ঠান্ডায় জবুথুবু দিল্লি-সহ উত্তর ভারত, শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি আবহাওয়া দফতরের

নিজস্ব সংবাদদাতা: এবছর বাংলায় রেকর্ড গড়ল উষ্ণতম বড়দিন। অন্যদিকে, শৈত্যপ্রবাহের সাক্ষী হতে চলেছে রাজধানী-সহ উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারত। রবিবার, বড়দিন থেকেই শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে দিল্লিতে। পঞ্জাব, হরিয়ানা সহ উত্তর ভারতের একাংশে এই পরস্থিতির সৃষ্টি এদিন সকাল থেকে ঘন কুয়াশার দাপটও দেখা যায়। বলা যায়, প্রবল ঠান্ডায় কাঁপছে রাজধানী-সহ গোটা উত্তরবঙ্গ। তবে কুয়াশার দাপট বা শৈত্যপ্রবাহ এদিনই শেষ নয়, আগামী কয়েকদিন এরকম আবহাওয়া থাকবে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন।

মৌসম ভবন সূত্রে খবর, এদিন সকালে দিল্লিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান সহ হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশের অনেক অঞ্চলেই একই অবস্থা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দিল্লির তাপমাত্রা আরও নামবে বলে পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। সোমবার পর্যন্ত উত্তর রাজস্থান এবং আগামী অন্তত চারদিন পঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি এবং হিমাচল প্রদেশে শৈত্যপ্রবাহ চলবে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে মৌসম ভবন।

কনকনে ঠান্ডার পাশাপাশি ঘন কুয়াশায় মুখ ঢেকেছে দিল্লি সহ পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তর রাজস্থানে। ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় ট্রেন ও বিমান চলাচলেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। আগামী দু-দিন এরকম পরিস্থিতি চলবে এবং ঠান্ডা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজস্থানে শৈত্যপ্রবাহের সৃষ্টি হতে পারে এবং দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রিতে নামতে পারে বলে আবহাওয়া বুলেটিনে জনিয়েছে মৌসম ভবন।

আবার কাশ্মীরের একাংশের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের কয়েক ডিগ্রি নীচে নেমে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার শ্রীনগরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই মরশুমে রেকর্ড।এদিকে, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঘন কুয়াশার জেরে বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। উত্তর রেলওয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ঘন কুয়াশার জন্য দিল্লিগামী ১৪টি ট্রেন দেরিতে চলছে। বিমান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। দৃশ্যমানতার অভাবে জাতীয় সড়কেও যান চলাচলে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

Related Articles

Back to top button