ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ, চালু পদ্মাপারের প্রথম মেট্রো পরিষেবা

নিজস্ব সংবাদদাতা: নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। মেট্রোরেল পথের একাংশের উদ্বোধনের দিয়ে এক নতুন যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বুধবার বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল পথের একাংশের উদ্বোধন হল। রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মেট্রোরেলের উদ্বোধনের জন্য এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। বিগত কয়েকদিন ধরেই এই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল জোরকদমে। উদ্বোধনের আগে মেট্রোরেলের ফলক উন্মোচন করেন শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকদের কাছে এই মেট্রো পরিষেবা একেবারেই নতুন। তাই তাঁদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রথমে কিছুদিন প্রতিটি প্লাটফর্মে ১০ মিনিট যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা করবে মেট্রো। আপাতত উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ছয় বগি বিশিষ্ট ১০ সেট মেট্রো চলাচল করবে এবং গতিও থাকবে কিছুটা কম। প্রাথমিকভাবে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে মেট্রো পরিষেবা। পরবর্তীতে পরিষেবার সময় ও মেট্রোর সংখ্যা বাড়ানো হবে।
বাংলাদেশ ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ম্যানেজিং ডিরেক্টর এমএএন সিদ্দিক বলেন, “মেট্রোরেল বাংলাদেশের মানুষের জন্য প্রথম বারের মতো একটি অভিজ্ঞতা হবে। তাই যাত্রীদের টিকিট এবং পরিষেবা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। যাত্রীরা যখন মেট্রোরেলের সঙ্গে পরিচিত হবে তখন আমরা মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোতে ট্রিপ, ট্রেন এবং স্টপেজের সংখ্যা বৃদ্ধি করব।” তিনি আরও জানান, ঢাকা এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সপ্তম।
রাজধানী ঢাকা যাত্রীদের জন্য মেট্রোরেলের সঙ্গে সবচেয়ে আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা পেতে যাচ্ছে। তাঁর মতে মেট্রোরেল পরিষেবা জনদুর্ভোগ কমাবে, কারণ এটি আরামদায়ক উপায়ে কম সময়ে বেশি যাত্রী পরিবহন করবে। আপাতত মধ্যবর্তী কোনও স্টপেজ ছাড়াই উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল করবে মেট্রোরেল। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আগামিকাল থেকেই যাত্রীরা বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন। প্রসঙ্গত, এদিন উদ্বোধনী মেট্রোরেলের জন্য পাঁচশো টাকার রিচার্জ কার্ডের (টিকিট) ব্যবস্থা করা হয়েছিল।


