চাপ বাড়ছে অনুব্রতর, গরুপাচার মামলায় বোলপুর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ওমর শেখকে তলব ইডির

নিজস্ব সংবাদদাতা: গরু পাচার মামলায় কি অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যেতে সক্ষম হবে ইডি? এটাই এখন বঙ্গ রাজনীতির অন্দরে লাখ টাকার প্রশ্ন। তবে উত্তর খুঁজতে সকলের নজর এখন ৯ জানুয়ারি দিল্লি হাইকোর্টের শুনানির দিকে। এরইমধ্য়ে বোলপুর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ওমর শেখকে তলব করল ইডি। সূত্রের খবর, গরু পাচার মামলায় শুক্রবার তাঁকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। যা নিয়ে ফের নতুন করে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে।
সূত্রের খবর, বোলপুর পুরসভার আরও এক কাউন্সিলরকেও আগেই জেরা করা হয়েছে। সেই সূত্রেই নাম উঠে এসেছে ওমর শেখের। এদিকে এলাকায় অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ নেতা বলেই পরিচিতি রয়েছে তাঁর। এমনকী জেলের বাইরে থাকার সময় সর্বদাই তাঁকে ‘কেষ্টদার’ পাশেপাশেই ঘুরতে দেখা যেত। যা দেখে রাজনীতির কারবারিদের অনেকেই তাঁকে অনুব্রতর সর্বক্ষণের সঙ্গী বলেও দাবি করেন। সূত্রের খবর, বোলপুরে তৃণমূলের জেলা পার্টি অফিস রয়েছে সেখানেও রীতিমতো কর্তৃত্ব রয়েছে ওমরের। তিনি পার্টি অফিসের দেখাশোনার কাজও করতেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে বীরভূমে ‘কেষ্টদার’ দেখা পেতে বরাবরই পড়ত আম-আদমির লাইন। নানা প্রয়োজনে মানুষ ছুটে যেতেন জেলার বেতাজ বাদশার কাছে। তবে অনুব্রতর দেখা পাওয়া কী এতই সহজ?
শোনা যায়, অনুব্রতর সঙ্গে দেখা করতে অনেকেই যোগাযোগ করতেন ওমর শেখের সঙ্গে। এমনকী কেউ কোনও সাহায্য চাইলে অনুব্রতও অনেক সময়ই ওমরের সঙ্গে দেখা করে সমস্যা সমাধানের কথা বলতেই। বিরোধীদের দাবি, এই সমস্ত রসায়নই প্রমাণ করে ওমর শেখের অনুব্রতর রীতিমতো ‘কাছের লোক’। এলাকাতেও রীতিমতো দাপট ছিল তাঁর। এখন দেখার এই ওমরকে জেরা করে নতুন কী তথ্য পায় ইডি। তবে তলব করলেও বোলপুরের এই ‘প্রভাবশালী’ কাউন্সিলর ইডির দরবারে গিয়ে দেখা করেন কিনা তা নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা।



