পটাশপুরের সমবায় সমিতির ভোটে তৃণমূলের জয় জয়কার, বিজেপি বলছে ‘সন্ত্রাসের ফল’

পূর্ব মেদিনীপুর: পটাশপুর সমবায়ের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করল তৃণমূল। যদিও বিজেপি অভিযোগ তুলেছে, সন্ত্রাস করে এই ভোট জিতেছে শাসকদল। যদিও সেসব কথা কানে তুলতে নারাজ তৃণমূল। তাদের দাবি, পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পটাশপুরের সমবায় সমিতিতে জয়, দলের বুথস্তরের কর্মীদের বাড়তি অক্সিজেন দিল। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর-২ ব্লকের জব্দা বিদ্যাসাগর সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির নির্বাচনে ১৫টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয় তৃণমূল। তবে সিপিএম, বিজেপি কোনও মনোনয়নপত্র দাখিল করেনি। এর ফলে বিনা লড়াইয়েই এই সমবায় সমিতি দখলে আসে শাসকদলের। এই জয়কে সামনে রেখে শনিবার কার্যত উৎসবের আবহ দেখা যায় এলাকায়। বছর শেষে পটাশপুরে শুধু সবুজ আবির খেলা।
কাঁথি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সহসভাপতি অসীম মিশ্র বলেন, “পটাশপুরের আরগোয়াল অঞ্চলের বিদ্যাসাগর সমবায় সমিতিতে তৃণমূল নাকি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে। হাস্যকর কথা এসব। গণতন্ত্র হত্যা করে ওরা। কাউকে তো সমবায়ে প্রার্থীই হতে দেয়নি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোম-বন্দুকের রাজনীতি করছে। ওই সমবায় সমিতির শেয়ার হোল্ডারদের প্রার্থী হতে না দিয়ে মনোনয়ন তুলতে না দিয়ে বলছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতছে। এর আগে পঞ্চায়েতেও দেখিয়েছিল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতছে। মানুষ ওদের কারচুপি ধরে ফেলেছে। বোম বন্দুকের রাজনীতি বেশিদিন চলবে না। এই জয় আসলে গণতন্ত্র হত্যার জয়। এসব টিকবে না।”
জয়ী বিশ্বরঞ্জন ভুঁইয়া বলেন, “সমবায় সমিতির ভোট অরাজনৈতিক। কোনও দল থেকে নয়, দলীয় সমর্থনে। তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী ছিলাম আমরা। প্রতীকবিহীন নির্বাচন আমরা। আমাদের দায়িত্ব বাড়ল। কারণ, অতীতে এই পঞ্চায়েত সমিতির ইতিহাস খুব একটা ভাল না। গত পাঁচ বছরে যতটা সম্ভব উদ্ধার করার চেষ্টা করেছি। আবার ক্ষমতায় এসে আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়ল।”আড়গোয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অপরেশ সাঁতরার বক্তব্য, বিরোধীরা ধরাশায়ী হয়ে অনেক কথাই বলবে। অতীত মানুষ ভুলে যায়নি। সবাই সবই মনে রেখেছে।



