জামিন চাইলেন না, জেলে চিকিৎসার সুব্যবস্থার আবেদন পার্থ-অর্পিতার

নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় একাধিকবার জামিনের আবেদন জানালেও কোনও লাভ হয়নি। তবে তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায় প্রথম থেকে জামিনের আবেদন জানাননি। ৬ মাসেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। নতুন বছর পড়লেও জেল-মুক্তি হয়নি অপার। নতুন বছরে জামিনের আবেদন করলেন না পার্থও। তাঁদের বিরুদ্ধে ইডি-র করা মামলার শুনানি ছিল শনিবার। আদালতের নির্দেশ মতো
এদিন তাঁদের ভার্চুয়ালি পেশ করা হয় আদালতে। জেলে বসেই হাজিরা দেন দুজনে। তবে কোনও পক্ষই এদিনের জামিনের আবেদন করেনি। তাঁদের জেল হেফাজতের মেয়াদ ফের বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অর্থাৎ আরও এক মাস মেয়াদ বাড়ল অপার জেল হেফাজতের।এদিন পার্থর আইনজীবী সুকন্যা ভট্টাচার্য আদালতে জামিন চাননি। তিনি বিচারককে বলেন, ‘পর্যাপ্ত চিকিৎসার বন্দোবস্ত মিলছে না জেলে। চিকিৎসার সুব্যবস্থা করা হোক।’ অর্পিতার আইনজীবী নীলাদ্রি ভট্টাচার্যও জামিন চাননি এদিন। পর্যাপ্ত চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তিনিও।
পার্থ বিচারককে বলেন, ‘শারীরিক অবস্থা ঠিক নেই। জেলে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেই। ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থা দরকার, ওষুধ দরকার, শরীর ঠিক নেই। আপনি যদি একটু দেখেন।’ অর্পিতাও ভার্চুয়ালি বলেন, ‘আমার শরীরে খুব খারাপ। চেক- আপের দরকার, পর্যাপ্ত ওষুধ নেই, পরীক্ষা করার ব্যবস্থা নেই। যেখানে আছি সেখানে কোনও ব্যবস্থা নেই। কষ্ট হচ্ছে। যদি একটু ব্যবস্থা করেন।’
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জুলাই মাসে গ্রেফতার হন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ। ইডি তাঁকে গ্রেফতার করার পর প্রথমে ইডি হেফাজত ও পরে জেল হেফাজত হয়। পরবর্তীতে সিবিআই পার্থকে হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানিয়েছিল। সেই মামলায় ফের জেল হেফাজত হয় পার্থর। আর অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল কোটি কোটি নগদ টাকা। সেই টাকার সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির কোনও যোগ আছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।



