প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে রাহুল গান্ধীর, বলছেন তৃণমূল সাংসদ

নিজস্ব সংবাদদাতা: দক্ষিণ ভারতের তুলনায় উত্তর ভারতে, বিশেষত বিজেপি শাসিত রাজ্য তথা হিন্দু বলয়ে ভারত জোড়ো যাত্রা-য় ভাল সমর্থন মিলছে বলে রবিবার-ই দাবি জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী। এবার রাহুল গান্ধীর ভূয়সী প্রশংসা শোনা গেল তৃণমূল সাংসদের মুখে।
রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রা-কে ‘ঐতিহাসিক’ এবং ‘বৈপ্লবিক যাত্রা’ বলে আখ্যা দিলেন আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। শুধু তাই নয়, রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে বলেও দাবি তৃণমূল সাংসদের।
ভারত জোড়ো যাত্রা নিয়ে এদিন এক টুইট করেছেন আসানসোলের তৃণমূল সাংসদ। টুইটারে তিনি লিখেছেন, “রাহুল গান্ধী যুবদের আদর্শ হিসাবে উঠে আসছেন। তাঁর ভাবমূর্তি আগের থেকে এখন সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। কিছু মানুষ রাহুল গান্ধীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।
কিন্তু দেশের খুব গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে উঠে আসছেন তিনি।” এখানেই শেষ নয়, রাহুল গান্ধীর প্রশংসা করে শত্রুঘ্ন সিনহা আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে রাহুল গান্ধীর। তাঁর পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের সেবা করেছেন এবং দেশের বিকাশে বিশেষভাবে অংশ নিয়েছেন।”
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ভূয়সী প্রশংসা করার পাশাপাশি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আয়রন লেডি বলে উল্লেখ করেছেন আসানসোলের সাংসদ। তিনি বলেন, “মূল ভিত্তির দিক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৪-এর গেম চেঞ্জার হতে পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন আয়রন লেডি। কেউ তাঁকে হালকাভাবে এখন নেন না।”
তবে ভারত জোড়ো যাত্রা ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিশেষ প্রভাব ফেলবে বলেও মনে করেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর কথায়, “দেশের জনগণই সিদ্ধান্ত নেবেন কে প্রধানমন্ত্রী হবেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে মানুষজন একজোট হয়েছেন। এটা একটা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস দলের বৈপ্লবিক যাত্রা।”
রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রা-কে প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবানি এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখরের যাত্রার সঙ্গে তুলনা করেছেন শত্রুঘ্ন সিনহা। একইসঙ্গে বিজেপি-কে একহাতে নিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপি সবসময় বলে কংগ্রেস ৭০ বছরের কি করেছে? তাহলে IIT এবং IIM-এর মত প্রতিষ্ঠান দেশকে কারা দিল?”
প্রসঙ্গত, দেশকে একসূত্রে বাঁধার শপথ নিয়ে ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু করেছেন রাহুল গান্ধী। কন্যাকুমারিকা থেকে শুরু করে রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রা কেরল, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র হয়ে দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশের উপর দিয়ে গিয়ে বর্তমানে হরিয়ানায় প্রবেশ করেছে। কনকনে ঠান্ডার মধ্যে কেবল একটি সাদা টি শার্ট পরে যাত্রা করে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী। যা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।


