রাজ্য

দেশের উন্নতিতে সকলের এগিয়ে আসা উচিত, বন্দে ভারতে পাথর ছোড়ার নিন্দায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

হাওড়া: বন্দে ভারতে  পাথর ছোড়ার ঘটনার নিন্দায় কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল। মঙ্গলবার সকালে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে চেপে মালদহে যান তিনি। হাওড়ায় বন্দে ভারতে বসেই ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনার নিন্দা করেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাঁরা এই কাজ করেছেন, তাঁরাও দেশের নাগরিক। দেশের অগ্রগতিতে সকলের সহযোগিতা থাকা উচিত। মালদহে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।

বিএসএফের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচিতেও অংশ নেবেন তিনি। গত ১ জানুয়ারি সাধারণ যাত্রী নিয়ে হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত যাত্রা শুরু করে দেশের সেমি হাইস্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। ২ জানুয়ারি প্রথম এই ট্রেনে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর ৯ দিনে চারবার পাথর ছোড়ার অভিযোগ তুলেছেন যাত্রীরা।

সোমবার রাতেই বাংলায় পৌঁছন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল। রাত ৮টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছন। মঙ্গলবার মালদহে রওনা দেন তিনি। সেখানে যাওয়ার পথে এই পাথর ছোড়ার নিন্দা করে মোরেশ্বর পাটিল বলেন, “পাথর ছোড়ার যে প্রবৃত্তি, এটা অন্যায়। মানুষের সুবিধার জন্যই এই ট্রেন দেওয়া হয়েছে।

এই ট্রেন পেয়ে সাধারণ মানুষ খুবই খুশি। এতে সময় অনেক কম লাগছে। স্বচ্ছন্দ্যে সফর করতে পারছেন তাঁরা। সকলেরই মানসিকতায় বদল আনা দরকার। আমরা এই দেশেরই নাগরিক। এই দেশের বিকাশে সকলের ভূমিকা থাকা দরকার। তাই এইভাবে পাথর ছুড়ে মানুষকে বিব্রত করা ভুল।”

রেলের তরফে বারবার সতর্ক করা হয়েছে, ট্রেনে পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় ধরা পড়লে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে। রেল জাতীয় সম্পত্তি। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব তা সুরক্ষিত রাখা। তারপরও সোমবার বর্ধমানের কাছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে ঢিল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। সি৫ কোচের জানলার কাচে ঢিল ছোড়ায় চিড় ধরে যায়। যাত্রীরাও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। অভিযোগ করা হয়, চন্দনপুর আর গাংপুরের মাঝে এই ঘটনা ঘটে।

Related Articles

Back to top button