পরিত্যক্ত জায়গায় উদ্ধার কঙ্কাল, পাশে লাল পলা… চাঞ্চল্যকর দাবি এক যুবকের

নিজস্ব সংবাদদাতা: পরিত্যক্ত জলাভূমিতে পড়ে রয়েছে কঙ্কালের হাড়গোড়। পাশেই পড়ে রয়েছে লাল পলা। লিলুয়ার ঝাউতলায় পরিত্যক্ত জলাভূমি থেকে কঙ্কাল উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল সোমবার। প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছে, কোনও মহিলার কঙ্কাল হতে পারে এটি। যেহেতু সধবা মহিলার হাতে পলা থাকে, তাই এই অনুমান। তবে সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ৫-৬ মাস আগে এলাকার এক মহিলা নিখোঁজ হয়ে যান। এই কঙ্কাল তাঁর হতে পারে বলেও মনে করছেন এলাকার লোকজন।
তবে পুলিশ তদন্ত করছে। কীভাবে এই কঙ্কাল এখানে এলো, কী ঘটেছিল সম্পূর্ণ বিষয় তদন্ত নেমেছে লিলুয়া থানার পুলিশ। এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর সিং জানান, ঝাউতলায় দীর্ঘদিনের এই জলাভূমি। সারা বছরই এখানে জল থাকে। সাধারণত এলাকার লোকজন কেউ এখানে যায় না। কিছুদিন আগে জল নামে এখানে। সোমবার কয়েকজন কাঠ কাটতে গিয়ে দেখেন কঙ্কালের হাড়গোড় পরে রয়েছে সেখানে। খবর দেওয়া হয় লিলুয়া থানায়।
এসে পৌঁছয় পুলিশের দল। সেখানে মাটি সরাতে গিয়ে পাওয়া যায় মাথার খুলি, হাড়গোড়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। এদিকে এই খবর ছড়াতেই আনন্দনগরের বাসিন্দা সুভাষ মালিক ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি বলেন, তাঁর মা গীতা মালিক বেশ কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। তাঁর মায়ের এই কঙ্কাল বলে দাবি করেন তিনি। পলা দেখেই তিনি শনাক্ত করেন।
সুভাষ মালিক জানান, গত ২৪ অগস্ট থেকে তাঁর মা নিখোঁজ ছিলেন। এদিকে এই ঘটনায় অন্য তত্ত্বও সামনে আসছে। এমনও অভিযোগ উঠছে, সুভাষ তাঁর মাকে দেখতেন না। বাড়িতে অত্যাচারিত হতেন তাঁর মা। এই কঙ্কাল যদি ওই মহিলার হয়, সেক্ষেত্রে খুনের অভিযোগকেও সামনে রাখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে গীতাদেবীর পরিবার দাবি করেছেন, গীতাদেবী মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। পুলিশ সবপক্ষের বক্তব্যই শুনেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এই কঙ্কালের হাড়গোড় আদৌ গীতা মালিকের কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



