রাজ্য

‘এমন পরিস্থিতির সাক্ষী থাকতে চাই না’, রাজ্যপালের হাতেখড়িতে কেন গরহাজির, নিজেই জানালেন শুভেন্দু

নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) বাংলা ভাষা শেখার জন্য ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। সেই মতো আজ সরস্বতী পুজোর দিনে রাজভবনে রাজ্যপালের হাতেখড়ির আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলের ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন না তিনি। কেন রাজভবনে যাচ্ছেন না, সেই কারণও টুইট করে জানালেন শুভেন্দু।

 

রাজ্যপালের বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার এই ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু। তবে বিরোধী দলনেতার কথায়, রাজ্যপালের হাতেখড়ির এই অনুষ্ঠানকে রাজ্য সরকার রাজনৈতিকভাবে অপব্যহার করছে। তোপ দেগেছেন রাজ্যপালের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নন্দিনী চক্রবর্তীকেও। লিখেছেন, ওই আমলা মুখ্যমন্ত্রীর গোপন রাজনৈতিক অভিসন্ধি পূরণের জন্য কাজ করছেন। শুভেন্দু তাঁর বিবৃতিতে লিখেছেন, রাজ্যের শিক্ষা দফতর যখন দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত, যখন দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জেলে রয়েছেন, তখন সেই সবের থেকে নজর ঘোরাতে রাজ্য সরকার এই ধূর্ত চাল খেলছে।

 

রাজ্যপালের বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার এই ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু। তবে বিরোধী দলনেতার কথায়, রাজ্যপালের হাতেখড়ির এই অনুষ্ঠানকে রাজ্য সরকার রাজনৈতিকভাবে অপব্যহার করছে। তোপ দেগেছেন রাজ্যপালের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নন্দিনী চক্রবর্তীকেও। লিখেছেন, ওই আমলা মুখ্যমন্ত্রীর গোপন রাজনৈতিক অভিসন্ধি পূরণের জন্য কাজ করছেন। শুভেন্দু তাঁর বিবৃতিতে লিখেছেন, রাজ্যের শিক্ষা দফতর যখন দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত, যখন দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জেলে রয়েছেন, তখন সেই সবের থেকে নজর ঘোরাতে রাজ্য সরকার এই ধূর্ত চাল খেলছে।

 

বিরোধী দলনেতার কথায়, আজ বিকেল পাঁচটায় রাজ্যপালের যে হাতেখড়ি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, তা রাজ্যপালের চেয়ার এবং রাজভবনের পদমর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। অতীতে যে এই রাজ্য সরকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদ থেকে রাজ্যপালকে সরানোর বিষয়ে বিল পাশ করেছে, সেই কথাও নিজের বিবৃতিতে তুলে ধরেন শুভেন্দু।

Related Articles

Back to top button