চলছিল রাস্তা তৈরির কাজ, হঠাৎ গগনভেদী শব্দ, চোখ ঘোরাতেই নেমে এল বরফের চাঁই, তুষারধসে মৃত ২

নিজস্ব সংবাদদাতা: হিমাচল প্রদেশে নামল তুষারধস । রবিবার বিকেলে হিমাচল প্রদেশের লাহুল-স্পিতি জেলায় তুষারধস নামে। বরফে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে দুইজন শ্রমিকের। তারা বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের কর্মী ছিলেন। আরও একজন শ্রমিক নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। গতকাল বিকেল থেকেই উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়েছিল। ঘণ্টাখানেক তল্লাশি চলার পর প্রবল ঠান্ডা ও দৃশ্যমানতা কম থাকায় উদ্ধারকাজ স্থগিত রাখতে হয়। আজ সকাল থেকে ফের উদ্ধারকাজ শুরু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বিকেলে আচমকাই লাহুল-স্পিতি জেলার চিকা গ্রামে তুষারধস নামে। সেই সময়ে ওই জায়গাতেই রাস্তা তৈরির কাজ চলছিল। আচমকাই পাহাড় থেকে বরফের বড় বড় চাঁই মাটিতে আছড়ে পড়ে। এতটাই বড় তুষারধস নামে যে শ্রমিকদের পাশাপাশি স্নো কাটার, স্নো ডোজ়ারও বরফের স্তূপের নীচে চাপা পড়ে যায়। বাকি শ্রমিকরা কোনওমতে বরফ সরিয়ে বেরিয়ে আসতে পারলেও, বরফের নীচে চাপা পড়ে যান তিনজন। এদের মধ্যে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ একজন। তাঁর খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে।
বিআরও সূত্রে জানানো হয়েছে, লাহুল সাব ভিডিশনের অধীনে ৩৫ কিলোমিটার দূরে চিকা গ্রামে তুষারধস নামে। মৃত দুই শ্রমিকের নাম রাম বুধা (১৯) ও রাকেশ। নিখোঁজ শ্রমিকের নাম পাসাং চেরিং লামা, তিনি নেপালের বাসিন্দা। তুষারধস নামার পরই সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য এমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারে খবর দেওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় উদ্ধারকাজ। তবে ঘণ্টা খানেক অভিযান চালানোর পরই রাতে প্রবল ঠান্ডা পড়ায় এবং দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ স্থগিত করে দিতে হয়। আজ, সোমবার সকাল থেকে ফের উদ্ধারকাজ শুরু করা হবে বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, যে দুইজন শ্রমিকের দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, তা রাতেই কেইলং-এ আনা হয়।


