আদানি ইস্যুতে বিরোধীদের বিক্ষোভে মুলতুবি লোকসভার অধিবেশন, গলায় কালো কাপড় বেঁধে LIC ভবনের সামনে প্রতিবাদ তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের

নিজস্ব সংবাদদাতা: আদানি ইস্যুতে আলোচনার দাবিতে গতকাল উত্তপ্ত হয়েছিল সংসদের উভয় কক্ষই। এই ইস্যুতে আলোচনার দাবিতে বিরোধীরা এককাট্টা হয়েছে। গতকাল গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্না, বিক্ষোভ প্রদর্শন করে কংগ্রেস সহ একাধিক বিরোধী দল। সেখানে যোগদান করে তৃণমূলও। গতকাল রাজ্যসভা ও লোকসভার মুলতুবির পর আজ সকাল ১১ টা থেকে ফের সংসদের অধিবেশন শুরু হতে চলেছে। আজকের সংসদের অধিবেশন সম্বন্ধে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ আপডেট জেনে নিন-
আজ সংসদে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বাম সাংসদরা। কেন্দ্রীয় বাজেটে কেরলের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তাঁরা বিক্ষোভ করছেন।জন্তর মন্তরে এলআইসি অফিসের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে ধর্না প্রদর্শন করেন তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মালা রায়, সৌগত রায় ও শান্তনু সেন সহ অন্যান্য সাংসদরা। সকলের গলাতেই ছিল কালো কাপড় বাঁধা।আদানি ইস্যুতে ফের উত্তাল সংসদ। বিরোধীদের বিক্ষোভের জেরেই দুপুর ১২ টা পর্যন্ত লোকসভার কার্যক্রম মুলতুবি হয়ে গিয়েছে। বিরোধীরা আজ ফের আদানির স্টক নিয়ে আলোচনা ও জেপিসির দাবি তোলেন।
বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠক চলছে। ২০২৩-র বাজেটের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে অভিনন্দন জানালেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা।বাজেট অধিবেশনে আজ অনুষ্ঠিত হল বিজেপির প্রথম সংসদীয় দলের বৈঠক। বৈঠকে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ বাজেট নিয়ে সাংসদদের নতুন ফর্মুলা দিতে পারেন মোদী।সূত্রের খবর, আদানি ইস্যুতে বিরোধীদের বৈঠকে যোগ দেয়নি তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি।সংসদে কালো ব্যান্ড পরে তৃণমূল সাংসদদের প্রতিবাদ কর্মসূচি।
কংগ্রেস সূত্রে জানা যাচ্ছে, সংসদীয় আলোচনায় আপ ছাড়া সব দল অংশগ্রহণ করছে।আজও আদানি ইস্যুতে সংসদ উত্তাল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। তৃণমল সাংসদ সৌগত রায়ও লোকসভায় আদানি ইস্যুতে মুলতবি প্রস্তাব দিয়েছেন।আদানি ইস্যুতে বিশদে আলোচনা চেয়ে লোকসভায় মুলতবি প্রস্তাব দিলেন কংগ্রেস সাংসদ মণীশ তিওয়ারি।কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ টুইটারে লিখেছেন, “স্ট্র্যাটেজি ঠিক করতে সকাল ১০ টায় বৈঠকে বসেছেন বিরোধীরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত আদানি মহামেগাস্ক্যামে জেপিসির দাবি উত্থাপন করতে বিরোধীদের অনুমতি না দেওয়ায় সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিরোধী দল চায় সংসদ কাজ করুক, কিন্তু মোদী সরকার ভয় পাচ্ছে!”


