রাজ্য

শনিবার ডিজিটাল সামিটে CPIM , ‘ওরা তো কম্পিউটার তুলে দিয়েছিল’, কটাক্ষ কুণালের

নিজস্ব সংবাদদাতা: শুধুমাত্র রাস্তার আন্দোলনেই বিজেপি বা তৃণমূলের মোকাবিলা করলে হবে না। তার সঙ্গে প্রয়োজন তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার। কালের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য দলের পাশাপাশি এ শিক্ষা পেয়েছে বামেরাও। বিগত কয়েক বছরে সে কাজ অনেকটাই গতি পেয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেড়েছে জনপ্রিয়তা। মিম থেকে গান, রিলস থেকে ইউটিউব ভিডিও, সবেথেকেই দেখা যাচ্ছে রাজনীতির ছোঁয়া। নজরও আটকেছে আম-আদমির। কিন্তু, আরও বেশি গতির সঙ্গে প্রয়োজন রয়েছে দক্ষতা, অভিজ্ঞতার। সেই লক্ষ্যেই আয়োজন করা হচ্ছে ডিজিটাল সামিট। আয়োজক বঙ্গ সিপিআইএম। আগামী শনিবার শনিবার নিউটাউনের রবীন্দ্রতীর্থে ডিজিটাল সামিটের আয়োজন করছে বামেরা। এমন ভাবে সামিটের আয়োজন সিপিআইএমের ইতিহাসে তো বটেই, বাংলার কোনও রাজনৈতিক দল আয়োজন করেছিল বলে সেভাবে মনে করতে পারছেন না কেউই।

সূত্রের খবর, সারাদিনের ওই কর্মসূচিতে রাজনীতিকেন্দ্রিক সোশ্যাল মিডিয়ার পাঠ দেবেন সিপিআইএমের বিভিন্ন স্তরের নেতারা। প্রযুক্তির ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন কীভাবে করা যায় তা বোঝাবেন দলের কেন্দ্রীয় স্তরে সোশ্যাল মিডিয়া টিমের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে কীভাবে আরও সহজে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে রাজনৈতিক বার্তা, দেওয়া হবে সেই পাঠও। রাজ্যের বাইশটি জেলা থেকে বাছাই করা দুশো বেশি কর্মী এই সামিটে প্রশিক্ষণ পাবেন বলে জানা যাচ্ছে। চলবে আলোচনা সভা, সেমিনার, গ্রুপ ডিসকাশন। মূলত দলের বিভিন্ন জেলায় যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়া টিমগুলির পরিচালনা করেন, সেখান থেকেই এই সমস্ত কর্মীদের বাছাই করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজ্যস্তরের এই সামিটের পরে তা জেলা এবং এরিয়া কমিটি স্তরে করা হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

এখন আর শুধুমাত্র রাস্তায়, মাঠে ময়দানে সভা-সমিতি, মিছিলের মধ্যে রাজনীতি সীমাবন্ধ নয়। তরুণ প্রজন্ম তো বটেই, ভোটের সঙ্গে এখন সোশ্যাল মিডিয়ার সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারেন না কেউই। ফলে সেই সব মানুষের কাছে পৌঁছানোর তাগিদেই এই ধরনের কর্মসূচি সিপিআইএম নিয়েছে বলেই মত রাজনীতির কারবারিদের। তবে পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই ধরনের কর্মসূচি বাম শিবিরে নতুন করে অক্সিজেন জোগাবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। এখন দেখার তার ফল ভোট বাক্সে পড়ে কি না।

Related Articles

Back to top button