রাজ্য

‘চাকরির অবস্থা তো খারাপ’, সরকারি উদ্যোগে ‘জব ফেয়ারে’ অংশ নিলেন শতাধিক প্রার্থী

নিজস্ব সংবাদদাতা: চাকরির বাজার মন্দা। সরকারি উদ্যোগে বেসরকারি চাকরির ইন্টারভিউ দিয়েই খুশি হলেন চাকরি প্রার্থীরা। তাঁরা বলছেন, ‘এটা সরকারের ভাল উদ্যোগ।’ হুগলির শ্রীরামপুরের কর্ম বিনিয়োগ কেন্দ্র (শ্রম দফতরের অধীন) ও আইসিএ (বেসরকারি সংস্থা)-র যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয় শ্রীরামপুরে। উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক উত্তীর্ণ ১৪০ জন চাকরি প্রার্থীকে ডাকা হয়েছিল এদিন। মোট পাঁচটি বেসরকারি সংস্থা থেকে তাঁদের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। শ্রম দফতরের কর্ম বিনিয়োগ কেন্দ্রে যাঁরা নাম নথিভুক্ত করেছিলেন, সেই শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীদের চাকরির সুযোগ করে দিতেই এই বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে জোট বেঁধে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যোগ্য প্রার্থীদের বেসরকারি সংস্থায় চাকরি দেওয়া হবে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুর দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় এ বিষয়ে প্রচার চালানো হয়েছিল। কর্ম বিনিয়োগ কেন্দ্রের ডেপুটি ডিরেক্টর জে সামন্ত বলেন, ‘যারা কেন্দ্রে নাম নথিভুক্ত করেছিলেন এবং রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন, তাঁদের ডাকা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হল যাতে বেকার ছেলেমেয়েরা চাকরি পান।’

আইসিএ-র প্লেসমেন্ট হেড অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় বলেন, সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আমরা এই ধরনের জব ফেয়ার করে থাকি। যাঁদের নাম নথিভুক্ত করা আছে, কর্ম বিনিয়োগ কেন্দ্রে মূলত যাঁরা চাকরি খুঁজছেন, তাঁদের জন্য এই সুযোগ। আমরা খুবই খুশি সরকার যেভাবে এগিয়ে এসেছে। যাঁরা চাকরি খুঁজছেন, তাঁদের সামনে এটা একটা বড় সুযোগ। বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা, কর্পোরেট সংস্থা এই উদ্যোগে সামিল হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। অরিন্দম বাবু বলেন, ‘আমাদের সংস্থা সর্বভারতীয় একটি সংস্থা এবং দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই ধরনের কাজ করছি। আশা করি আগামিদিনেও ভাল সাড়া পাব।’

কর্মসংস্থান নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তার মধ্যে এমন একটি সুযোগে খুশি চাকরি প্রার্থীরাও। জব ফেয়ারে অংশ নেওয়া বিক্রম দাস ও সাথী ভট্টাচার্যের মতো চাকরি প্রার্থীরা বলছেন, চাকরির বাজার খুব খারাপ। সরকারি চাকরি তো পাওয়া দুষ্কর। তাই এই ধরনের সুযোগ এলে খুব উপকার হবে। রাজ্য জুড়ে যখন নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ, তখন এই উদ্যোগের প্রশংসা করছেন চাকরি প্রার্থীরা।

Related Articles

Back to top button