‘ভাল কাজ’ করা সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য নতুন ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব সংবাদদাতা: সোমবার রাজ্য সরকারের পনেরোটি দফতরকে নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । সেই বৈঠকে পূর্ত, পঞ্চায়েত, শিশু ও সমাজ কল্যাণ দফতরের পাশাপাশি ছিল রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরও। আর এই বৈঠকে সিভিক ভলান্টিয়ারদের প্রসঙ্গও উঠে আসে মমতার কথায়। নবান্ন সূত্রে খবর, সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে যাঁরা ভাল কাজ করছেন এবং যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন, তাঁদের বেতন পরিকাঠামো কীভাবে ভাল করা যায়, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিছুক্ষেত্রে হোমগার্ডের কোটা আছে। সেই কোটায় কতজনকে নিয়োগ করা যেতে পারে, তার জন্য কী কী করা যেতে পারে, তা পর্যালোচনা করে দেখতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্র মারফত এমনই জানা যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, রাজ্যে পুলিশকর্মীদের পাশাপাশি সিভিক ভলান্টিয়াররাও অবিরাম পরিশ্রম চালিয়ে যান। দিনরাত পরিশ্রম করেন। এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে, উর্দিধারীদের বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করেন। কিন্তু সেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাসমাহিনা তুলনায় অনেকটাই কম। তবে এবার তাঁদের জন্য চিন্তাভাবনা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁরা দীর্ঘদিন সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করছেন এবং যথেষ্ট ভালভাবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁদের বেতন পরিকাঠামো কীভাবে ভাল করা যায়, সেই বিষয়টির উপর নজর দেওয়ার পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। প্রসঙ্গত, রাজ্যে বহু যুবক-যুবতী সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বিভিন্ন জেলায় জেলায়, বিভিন্ন থানায়। হয়ত তাঁদের মধ্যে এমনও অনেকে রয়েছেন, যাঁরা পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। পুলিশকর্মীদের পাশাপাশি তাঁরাও রোদ-ঝড়-বৃষ্টির তোয়াক্কা না করেই, নিজেদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এবার তাঁদের বেতন পরিকাঠামো নিয়ে ভাবছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিকে সিভিক ভলান্টিয়ারদের এই বেতন পরিকাঠামো নিয়ে চিন্তাভাবনা করা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। বললেন, ‘পঞ্চায়েত ভোটের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের কনস্টেবল পদে উত্তীর্ণ করার টোপ দিয়েছেন। কারণ পঞ্চায়েত ভোটে উনি তাঁদের ব্যবহার করতে চান ভোটে। তৃণমূলের অবস্থা ভাল নয়, পঞ্চায়েত ভোটে তাঁদের ব্যবহার করতেই এই টোপ দিয়েছেন।’



