জাতীয়

থরথর করে কেঁপে উঠল পায়ের নীচের মাটি, সাতসকালেই ভূমিকম্প ওড়িশায়

নিজস্ব সংবাদদাতা: সাতসকালে ভূমিকম্পে  কেঁপে উঠল ওড়িশা । শুক্রবার ভোরেই ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ওড়িশার কোরাপুট। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তরফে জানানো হয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩.৮। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫ কিলোমিটার গভীরে। তবে ভূমিকম্পের তীব্রতা খুব বেশি না হওয়ায়, কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলেই জানা গিয়েছে।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার ভোর ৫টা ৫ মিনিট নাগাদ ওড়িশার কোরাপুটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩.৮। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছি ছত্তীসগঢ়ের জগদলপুর থেকে ১২৯ কিলোমিটার পূর্বে। সেই কম্পনই ওড়িশার কোরাপুটে অনুভূত হয়। নারায়ণপত্না সহ আশেপাশের একাধিক জায়গায় কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাড়িঘরে কম্পন অনুভূত হতেই সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ভয়ে অনেকে বাড়ি থেকেও বেরিয়ে আসেন।

প্রসঙ্গত, ওড়িশার বেশ কয়েকটি জেলা ভূমিকম্প প্রবণ, কারণ এগুলি সিসমিক জোনের উপরে অবস্থিত। ওড়িশার তালছার জেলা ও তার আশেপাশের অঞ্চলগুলি সিসমিক জ়োন-৩ র মধ্যে পড়ে, অর্থাৎ ভূমিকম্প হলে এই অঞ্চলগুলিতে মাঝারি মাপের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, বিগত দুই মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিকবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। চলতি সপ্তাহেরই সোম ও মঙ্গলবারে ভূমিকম্প হয় মেঘালয়ে। ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৩.৭। তার আগের সপ্তাহে পরপর দুইদিন ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে অরুণাচল প্রদেশ ও মণিপুর।  রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল যথাক্রমে ৩.৮ এবং ৩.৬। এই ভূমিকম্পগুলির জেরে কোনও রাজ্যেই বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি না হলেও, সম্প্রতিই তুরস্ক ও সিরিয়ায় যে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল এবং তার জেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল,ত সেই কারণে দেশেও ভূমিকম্প নিয়ে যথেষ্ট আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

Related Articles

Back to top button