বারণ সত্ত্বেও শোনেননি, রাতের অন্ধকারে গলিতে খালাসিকে এভাবে দেখে চমকে উঠলেন সকলে

নিজস্ব সংবাদদাতা: দোলের সকালে মর্মান্তিক ঘটনা। বাঁকুড়ায় বালি বোঝাই ডাম্পার উল্টে মৃত্যু হল একজনের। জানা গিয়েছে তিনি ওই গাড়ির খালাসি ছিলেন তিনি। সোমবার রাত্রিবেলা বাঁকুড়ার বাঁকি গ্রামের কাছে গন্ধেশ্বরী নদীর কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত খালাসির নাম রাহুল বাউরি। তাঁর বাড়ি গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের বিহারজুড়ি গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে গন্ধেশ্বরী নদীবক্ষে থাকা অস্থায়ী রাস্তা দিয়ে বাঁকি থেকে ভূতসহর যাওয়ার চেষ্টা করছিল বালি বোঝাই ওই ডাম্পারটি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, গাড়ির চালককে ওই অস্থায়ী রাস্তা দিয়ে যেতে বারেবারে নিষেধ করেন তাঁরা। তারপরও চালক জোর করে ওই রাস্তা দিয়ে ডাম্পারটিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এরপরই ঘটে যায় দুর্ঘটনা।
নদীবক্ষ দিয়ে যাওয়ার সময় অস্থায়ী রাস্তার মাঝামাঝি ডাম্পারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ডাম্পারের নীচে চাপা পড়ে যান ডাম্পারের খালাসি রাহুল বাউরী । দুর্ঘটনার পরই ডাম্পারের চালক পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ ডাম্পারের নিচে চাপা থাকা খালাসিকে উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ডাম্পারটি কোথা থেকে কোথায় বালি নিয়ে যাচ্ছিল এবং বালি পরিবহনের কী নথিপত্র রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দা লক্ষ্মণ পাল বলেন, “গ্রামের ছেলেরা মানা করার পরও নিয়ে গিয়েছে। তারপরই পথ দুর্ঘটনায় মারা গেল। এটা বালি নিয়ে যাওরা রাস্তা নয়। এখানে শুধু মানুষ চলাচল করে।” আরও এক বাসিন্দা অভিযোগ জানিয়ে বলেন, “এই রাস্তা পাকাপোক্ত নয়। এখানে বাইক, সাইকেল যায়। বালির গাড়িকে বারণ করলাম। শুনল না। গাড়িতে অনেক বালি ছিল। এরপর পাল্টি খেয়ে যায়।”



