‘কেষ্টদা তো কেষ্টদাই, একটু অভাব হবে…’,অনুব্রতহীন বীরভূমের ভার এবার কার হাতে?

নিজস্ব সংবাদদাতা: কেষ্ট পৌঁছে গিয়েছেন দিল্লিতে। এখন অনুব্রতহীন দিল্লি। এ দিকে, সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে অনুব্রতহীন বীরভূমে কি বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ? জেলায় তৃণমূলের নতুন কোর কমিটির সদস্যদের মধ্যে প্রকাশ্যে আসছে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। কোর কমিটির নতুন সদস্য নানুরের নেতা কাজল শেখ দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই মুখ খুলছেন। জেলার অন্যত্র আবার মাথাচাড়া দিচ্ছে কাজিয়া। ফলত, পঞ্চায়েত ভোটের আগে কীভাবে ঘর গোছাবে তৃণমূল? কী বলছেন জেলার নেতারা?
এই বিষয়ে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “স্বাভাবিকভাবেই কোনও জায়গা খালি থাকে না। একজন যাওয়ার পর অন্য ব্যক্তি এসে সেই জায়গা ভর্তি করে। তেমনি অনেকেই চেষ্টা করবেন সেই জায়গা নেওয়ার। তাই স্বাভাবিকভাবেই দিদি যা বলবেন, যা করবেন সেই অনুযায়ী দল চলবে।” জেলা তৃণমূলের অন্দরে সমস্যার কথা কার্যত স্বীকার করে নিয়ে মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “মনে হচ্ছে খানিকটা বেলাগাম হচ্ছে জেলা। বাঁধন যেভাবে অটুট থাকার কথা তা সেইভাবে থাকছে না।আশা করছি ধীরে-ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”
অপরদিকে, তৃণমূল নেতা কাজল শেখ বলেন, “অনুব্রত মণ্ডল যে দল তৈরি করে গিয়েছেন সেই দলই বর্তমানে বীরভূম জেলা পরিচালনা করছে। সেই দল ছাড়া জেলায় বিরোধীদের না কোনও সংগঠন আছে, না ঐক্য রয়েছে। এখানের ১৬৯ গ্রাম পঞ্চায়েতে জোড়াফুলই ফুটবে।” দুবরাজপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পীযুষ পান্ডের বক্তব্য, “কেষ্টদা তো কেষ্টদাই, একটু অভাব হবে। কোনও কর্মীদের মনোবল ভাঙেনি। সব ঠিক রয়েছে। আমরা বিভিন্ন স্তরে দেখছি। একটু তো অভাব হবে।”
এক পূর্ণিমায় গ্রেফতার, “আর এক পূর্ণিমায় জেলে গেলেন। পাপ বাপকেও ছাড়ে না। তবে যে সকল মিনি চোররা রয়েছে তারা তো দেখা করবে। ভবিষ্যতে যদিও তাদেরও তিহাড়ের দিকে যাত্রা হবে।”



