রাজ্য

জাতীয় সড়কে জ্বলল আগুন, দাম বৃদ্ধির দাবিতে আলু ফেলে বিক্ষোভ চাষিদের

নিজস্ব সংবাদদাতা : আলুর দাম নিয়ে চাষিদের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। রাজ্যজুড়েই লাগাতার বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন একটা বড় অংশের কৃষকরা। আন্দোলনে নেমেছে সিপিএমের (CPIM) কৃষক সংগঠন। রাজ্যের নানা প্রান্তে চলছে আন্দোলন। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের আমড়া মোড়ের কাছে রাস্তায় আলু ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করে সারা ভারত কৃষক সভার সদস্যরা। একটাই দাবি, দাম বাড়াতে হবে আলুর। ১০০০ টাকা কুইন্টাল দরে আলু কিনতে হবে সরকারকে। একইসঙ্গে হিমঘরে আলু মজুত করার ক্ষেত্রে চাষিদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। ভিন রাজ্যে ও বিদেশে আলু রফতানির বিষয়েও উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে।

পাশাপাশি হিমঘরে আলু রাখার ক্ষেত্রে বস্তা পিছু ভাড়া কমাতে হবে বলেও দাবি তোলা হয়েছে। এরকমই একগুচ্ছ দাবিতেই এদিন আধ ঘণ্টার বেশি সময় অবরোধ করা হয় জাতীয় সড়ক। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে। কৃষক সভার নেতা শ্যামচাঁদ মুখোপাধ্যায় বলেন, “বাংলায় তৃণমূল সরকার চোর। সাধারণ মানুষের থেকে সব লুঠ করে নিচ্ছে। মানুষ ভেবেছিল বামফ্রন্ট ৩৪ বছর ছিল। তৃণমূল এলে কিছু একটা হবে। কিন্তু, তৃণমূল এমন চুরি করল যে সবাই অবাক। গাছেরও খাচ্ছে তলারও খাচ্ছে। আলুর দাম নেই। তাই সরকারের টনক নড়াতেই আমাদের এই আন্দোলন। আমাদের সাফ দাবি হাজার টাকা কুইন্টাল প্রতি আলু কিনতে হবে সরকারকেই। কোনও দালাল মারফত আলু কেনা যাবে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত সরকার আমাদের কথা শুনবে রাজ্যজুড়ে এই আন্দোলন চলবে। কথা না শুনলে আগামীতে আরও দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর আন্দোলন হবে।”

তবে শুধু বর্ধমান নয়। আন্দোলন চলছে জলপাইগুড়িতেও। বিক্ষোভে বিজেপি (BJP)। আলুর বন্ড পকেটস্থ করেছে তৃণমূল নেতারা। তাই হিমঘরে আলু রাখতে পারছে না সাধারণ কৃষকেরা। অভিযোগ তুলে রাস্তায় আলু ফেলে পথ অবরোধ করে এদিন বিক্ষোভ দেখাল বিজেপির কিষাণ মোর্চার কর্মীরা। এদিন শহরের ব্যস্ততম রাস্তা ডিবিসি রোডের উপর আলু ও টম্যাটো ফেলে দিয়ে পথ অবরোধ করে দীর্ঘ‍ক্ষণ বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। আন্দোলনে সামিল হন বিজেপির কৃষক সংগঠন কিষাণ মোর্চা‌র সভাপতি নকুল দাস।

Related Articles

Back to top button