জাতীয়
‘রাহুল গান্ধীকে কোনওভাবে আটকানো যাবে না’, ১৪৪ ধারা অমান্য করেই রাজঘাটে সত্য়াগ্রহ কংগ্রেসের

নয়া দিল্লি: কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী(Rahul Gandhi)-র সাংসদ পদ খারিজের প্রতিবাদে পথে নেমেছে কংগ্রেস (Congress)। আজ থেকে ১০ দিনের জন্য দেশজুড়ে সত্যাগ্রহ অভিযান (Satyagraha) শুরু করছে কংগ্রেস। দিল্লিতে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা ও কংগ্রেস সভাপতি সত্য়াগ্রহের নেতৃত্ব দেবেন। সূত্রের খবর, দিল্লির রাজঘাটে আজ বিক্ষোভ দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে কংগ্রেসের, যদিও দিল্লি পুলিশের তরফে এই বিক্ষোভ মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবুও কংগ্রেস রাজঘাটেই বিক্ষোভ দেখাবেন কংগ্রেস নেতৃত্ব এমনটাই জানা গিয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকে সত্যাগ্রহ শুরু করা হবে, চলবে বিকেল ৫টা অবধি। অন্যদিকে, বদলে গিয়েছে রাহুল গান্ধীর টুইটার হ্যান্ডেলের স্টেটাস। সেখানে লেখা “বরখাস্ত হওয়া সাংসদ” (Disqualified MP)।
‘পুরোহিত চোর হতে পারে, দেবতা নন, আমি চোর হতে পারি, মমতা নন’
কংগ্রেসের সত্যাগ্রহের যাবতীয় আপডেট দেখে নিন এক নজরে-
- কংগ্রেসের তরফে রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজ করাকে চক্রান্ত বলেই দাবি করা হয়েছে। গতকাল রাহুল গান্ধীও সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেন, সংসদে তিনি মোদী-আদানি ইস্য়ু নিয়ে সরব হওয়ার কারণেই তাঁর কণ্ঠস্বর রোধ করার জন্য সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের প্রতিবাদেই আজ থেকে আগামী ১০ দিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তারা সত্য়াগ্রহ আন্দোলন করবেন।
- কংগ্রেসের সত্যাগ্রহের জন্য দিল্লি পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হলেও, তা মেলেনি। তবে পিছু হটতে নারাজ কংগ্রেসও। ১৪৪ ধারা অমান্য করেই তারা রাজঘাটে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। সকালেই সেখানে যান প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সলমন খুরশিদ, কেসি বেণুগোপালের মতো কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও দেখা করেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী।
- কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে বলেন, “বিজেপি রাহুল গান্ধীকে কথা বলতে দিচ্ছে না। রাহুল গান্ধীজী দেশের জন্য, দেশের জনগণদের অধিকার নিয়ে লড়াই করছেন। তাঁকে কোনওভাবে আটকানো যাবে না। আজ আমরা গান্ধীঘাটে যাচ্ছি, সেখানে সত্যাগ্রহ করব আমরা।”
- এদিকে, সাংসদ পদ খোয়ানোর পর আজ রাহুল গান্ধী নিজের টুইটার হ্যান্ডেলের স্টেটাস বদলে দেন। সেখানে বর্তমানে সাংসদের জায়গায় লেখা “বরখাস্ত সাংসদ”।
- অন্যদিকে, দিল্লি জুড়ে যুব কংগ্রেসের তরফে বিজেপির বিরোধিতা করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে এবং পোস্টার লাগিয়েছে। ওই পোস্টারগুলিতে লেখা, “২০ হাজার কোটি টাকা কার? মোদী জবাব দাও।”


