রাজ্য

সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্তিশালী হতে চায় বামেরা, ডিজিটাল সামিট কর্মশালা

কোন্নগর: সোশ্যাল মিডিয়ায় আরও সক্রিয় হতে চায় সিপিএম। রীতিমতো কোমর বেঁধে এ ব্যাপারে উদ্যোগী হল বামেরা। তৃণমূল ও বিজেপিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় টক্কর দিতেই ডিজিটাল সামিটের আয়োজন করে সিপিএম। রবিবার হুগলি জেলায় কর্মীদের নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজনও করা হয়েছিল। সিপিআইএম হুগলি জেলা কমিটির উদ্যোগে কোন্নগর শিশু তীর্থ স্কুলে ডিজিটাল সামিট নামে কর্মশালা করা হয়। বাছাই করা কর্মীদের নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোটা দিন ব্যাপী এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন প্রায় ২০০ সিপিআইএম সদস্য। “হেঁটে আছি, নেটে আছি”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে কর্মশালা হয়। সেই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম জেলা সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ সহ নেতৃত্বের একটা বড় অংশ।

 

‘বউকে চাকরিতে ঢুকিয়ে নিজেরা পার্টি করতেন’, সিপিএম নেতাদের তোপ তৃণমূল বিধায়কের

 

 

এই ডিজিটাল সামিটের ব্যাপারে হুগলি জেলার সোশ্যাল মিডিয়া ইনচার্জ দেবাশিস সাহা বলেন, “২০২৩ সালে দাঁড়িয়ে, প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল এবং বিজেপি একেবারে প্রফেশনাল বিভিন্ন কোম্পানিকে পয়সা দিয়ে বামপন্থীদের বিরুদ্ধে যেভাবে অপপ্রচার করছে, তার মোকাবিলা করার জন্য এবং দলের সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কিছু বিষয় নিয়েই আজকের এই ডিজিটাল সামিট। বিরোধীরা বামপন্থীদের বিরুদ্ধে সব সময়ই অপপ্রচার করে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় জয়েনিং লেটারকে চিরকুট বলে অপপ্রচার করা হচ্ছে। এই ধরনের অপপ্রচারের মোকাবিলা করা এবং যুব বয়সের মানুষজনের কাছে এই তৃণমূল বিজেপির অপশাসনের বিরুদ্ধে বিকল্প মতকে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।” তিনি আরও বলেছেন, “আমরা যেমন মানুষের জন্য রাস্তায় আন্দোলনে থাকি তেমনি সোশ্যাল মিডিয়াতেও আরও বেশি করে বিকল্প নীতির কথা তুলে ধরব।”

যদিও এই ডিজিটাল সামিটকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। কোন্নগর কানাইপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান আচ্ছালাল যাদব বলেন, “ওরা মুখে বলছে হেঁটেও আছি নেটে আছি কিন্তু বাস্তবে ওরা কিছুই করে না। ১৯৯১ সালে রাজীব গান্ধীর সময় এরাই কম্পিউটারের সব থেকে বেশি বিরোধিতা করেছিল। ২০১১ সালে ওদের বিদায় হয়ে গেছে তারপর থেকেই ওরা বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী। সাগরদিঘির নির্বাচনের ফলাফল দেখে ওরা ভাবছে ওদের একটু শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে তাই নেট ঘেঁটে কিছু সমর্থকেরা বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। ওদের মনে রাখা উচিত সিপিএমকে যারা স্থাপিত করেছিল তাঁরা কেউ নেটে ছিল না তাঁরা হেঁটেই ছিল । তাই নেট না ঘেঁটে ভালো করে হাঁটা শিখুক।”

Related Articles

Back to top button